আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিশৃঙ্খলার সুযোগে যারা জনগণের সম্পদ লুট করার চেষ্টা করছিল তাদেরকে আটক করা হয়েছে। কাবুলের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার ঘোষণা দিয়েছে এবং সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে তাদের কর্মস্থলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে তালেবান।
তালেবান নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আফগান কর্মকর্তা ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বাসভবনে অনুপ্রবেশ করা থেকে বিরত থাকতে তালেবান সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, নিছক সাবেক আফগান সরকারের হয়ে কাজ করত বলে কাউকে হেনস্থা করা যাবে না।
কাতারের দোহায় তালেবানের রাজনৈতিক দফতরের উপ প্রধান আব্দুসসালাম হানাফি সোমবার বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিদেশী কূটনীতিক ও সেনাবাহিনীর সদস্যসহ সরকারি কাজে নিয়োজিত সব চাকরিজীবী কোনো ধরনের শঙ্কা ছাড়াই নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যান।
১৫ আগস্ট পুলিশের গাড়িতে করে কাবুলে প্রবেশ করেন একদল তালেবান সদস্য এমনকি তিনি নারী চাকরিজীবীদেরও কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন- পদত্যাগ করছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
হানাফি বলেন, কারো প্রতি অবিচার করা হবে না এবং নারীরা তাদের হিজাব রক্ষা করে কর্মস্থলসহ সব কাজ স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন।
আফগান গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধানসহ নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কিছু কর্মকর্তা সোমবার আমেরিকার বিমানে চড়ে কাবুল ত্যাগ করেছেন। তবে তারা কোথায় যাচ্ছেন তা জানাতে পারেনি জানান আল-জাযিরা টেলিভিশন নিউজ চ্যানেলটি।
দীর্ঘ ২০ বছর পর কাবুল দখলের সাথেই সমগ্র আফগানিস্তানের দখল চলে যায় তালেবানদের হাতে। কাবুল দখলের সময়ে তালেবান বাহিনী প্রবেশের মুখে দেশত্যাগ করা আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি পালানোর সময় হেলিকপ্টার ভর্তি করে নগদ অর্থ সাথে নিয়ে গেছেন। সারা বিশ্ব যখন তাকিয়ে আছে আফগানিস্তানের তালেবানদের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হয় সেটা দেখার অপেক্ষায়।
সূত্র : পার্সটুডে