৩ বছরে ১৫ লাখ শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া

(৭১বিডি২৪)অনলাইন ডেস্ক:

তিন বছরে মালয়েশিয়ায় ১৫ লাখ শ্রমিক পাঠাতে দেশটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে সই করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার  প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে পাঁচ বছর মেয়াদী এই সমঝোতার আওতায় মালয়েশিয়ায় যেতে মাথাপিছু খরচ হবে ৩৪ থেকে ৩৭ হাজার টাকা, যা নিয়োগকর্তাই বহন করবে।

এই বাংলাদেশিরা মালয়েশিয়ার সেবা, নির্মাণ, কৃষি, প্ল্যান্টেশন ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে কাজ করার সুযোগ পাবেন। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রায়ত জায়েম এবং বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ভবনে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।জিটুজি প্লাস (সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে) প্রক্রিয়ায় পাঁচটি খাতে কাজ করার জন্যে এসব কর্মী নিচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার।

কর্মীপ্রতি অভিবাসন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ থেকে ৩৭ হাজার টাকা। এছাড়া প্লেন ভাড়া, ইন্স্যুরেন্স, স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ সংশ্লিষ্ট খরচ বহন করবেন নিয়োগকর্তা (মালয়েশিয়া) পক্ষ। নিয়োগকর্তা কর্মীর (যোগ্যতাভিত্তিক) চাহিদা জানাবে বাংলাদেশ সরকারকে।

বাংলাদেশ সরকার জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তালিকা অনুযায়ী কর্মী বাছাই করবে। বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোও এ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে। সেক্ষেত্রে বাছাই করা তালিকা বিএমইটি দেবে বায়রাকে। বায়রা এ ডাটাবেজ থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ভিসা প্রসেসিং, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও বহির্গমন সেবা দেবে। ভিসা প্রসেসিংসহ কর্মীর ডাটাবেজ এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হবে অনলাইনে। কর্মীদের বেতন পরিশোধ করা হবে ব্যাংকের মাধ্যমে।

মালয়েশিয়ার মন্ত্রী অনুষ্ঠানে বলেন, “এই চুক্তির ফলে দুই দেশই উপকৃত হবে।”

আর প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, “আগে বাংলাদেশ থেকে কেবল প্ল্যান্টেশন খাতে লোক নিতো মালয়েশিয়া। এই চুক্তির ফলে আরও বড় পরিসরে বাংলাদেশিরা কাজের সুযোগ পাবে।”

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *