২ কন্যার জনক সাংসদকে পিতার পরিচয় দিয়ে যুবকের প্রতারণার চেষ্টা

৭১বিডি২৪ডটকম ॥ করেসপন্ডেন্ট;


বরিশাল


বরিশাল : ২ কন্যা সন্তানের জনক বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সাংসদ এ্যাড. শেখ মোঃ টিপু সুলতানকে পিতা বানিয়ে এক যুবক প্রতারণার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এ ঘটনায় ওই সাংসদ বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধরণ ডায়েরিও করেছেন। রোববার বিকেলে শেখ মোঃ টিপু সুলতান বাংলানিউজকে জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে তাকে সম্প্রতি জানানো হয় যে তার নাম ব্যবহার করে ছেলের পরিচয় দিয়ে জাপানে যাওয়ার ভিসার জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু তিনি কোন ছেলে নয় শুধুমাত্র ২ কন্যা সন্তানের জনক। তাই বিষয়টি জানার পরই গত ১৩ ডিসেম্বর বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। যার অনুলিপি সংশ্লিষ্ট দফতরে ইতোমধ্যে পাঠিয়ে দিয়েছেন। অভিযোগের সূত্র ধরে জানাগেছে, ঢাকার ঠিকানায় তৈরি হওয়া ওই পাসপোর্টে নুরন্নবী গোলাপ নামে এক যুবক বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সাংসদ এ্যাড. শেখ মোঃ টিপু সুলতানকে পিতার জায়গা দেন। এরপর সেই জাল পাসপোর্টের অনুকুলে জাপান অ্যাম্বাসিতে ভিসার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু ভিসা পাওয়ার আগেই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে জানতে চাওয়া হয় ২ কন্যা সন্তানের জন্য ওই সাংসদের কাছে। আর এরআগেও ভিসার জন্য এরকমই একটি প্রতরনার আশ্রয় নিয়েছিলো নাহিদ তালুকদার নামের অপর একজন। তবে সেই নামের ব্যক্তি ছেলে নয় বরং ব্যক্তিগত সহকারী সেজে সাংসদের প্যাডে তারসাথে জার্মান যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বাসিতে ভিসার জন্য আবেদন করেছিলো। কিন্তু সাংসদ সেখানে না যাওয়ায় সেই প্রতারণাও ধরা পরে যায়। সাধারণ ডায়েরির তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আসাদুর রহমান জানান, নুরন্নবী গোলাপের এ ঘটনায় তদন্তে নেমে নির্দিষ্ট কোন নাম-ঠিকানা কিংবা পাসপোর্ট ধারীর পরিচয় জানতে পারেননি। তবে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে অনেককিছুই জানার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, সাসংদের সাথে এরআগে ঘটা নাহিদ তালুকদারের ও বর্তমানে তদন্তাধীন নুরন্নবী গোলাপের প্রতারণার ‍দুটি ঘটনার যে কাগজপত্র হাতে পেয়েছেন, সেখানে থাকা ছবি দেখে মনে হচ্ছে উভয়ই একই লোক। তবে মূল ছবি পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *