সব্যসাচীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা

বিশিষ্টজন ও সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত হলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে সৈয়দ হকের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ শুরু হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে, মন্ত্রীসভার সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বরেণ্য এ লেখকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা জানান সাহিত্য ও শিল্পাঙ্গনের বিশিষ্টজন ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। প্রিয় লেখকের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই শহীদ মিনারে ভিড় করেন অগণিত মানুষ। হালকা বৃষ্টির মধ্যেও দাঁড়িয়ে থেকে তারা অপেক্ষা করেন সব্যসাচীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে লেখকের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কুড়িগ্রামে।

এর আগে সকালে চ্যানেল আই কার্যালয়ে প্রথম জানাজা শেষে তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয় বাংলা একাডেমি চত্বরে। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পর নেয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ শামসুল হকের মৃত্যু হয়।

১৯৩৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর এই কুড়িগ্রাম শহরের থানা পাড়ায় তার জন্ম। ১৯৫৩ সালে ‘একদা এক রাজ্যে’ কাব্য দিয়ে তার যাত্রা শুরু হলেও ‘তাস’ নামক গ্রন্থ আগেই প্রকাশিত হয়েছিল। সাহিত্যের সব শাখায় কাজ করে তিনি পেয়েছিলেন সব্যসাচীর আখ্যা।

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *