শেবাচিমের শিশু ওয়ার্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে নতুন সেফট্রিয়াক্সন

৭১বিডি২৪ডটকম॥ করেসপন্ডেন্ট;


বরিশাল


বরিশাল : সরকারি ভাবে সরবরাহকৃত ইনজেকশন শরীরে পুশ করার পর সামান্য সমস্যা দেখা দেয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাপাতালের শিশু বিভাগে সেফট্রিয়াক্সন(২ গ্রাম) ওষুধের ব্যবহার বন্ধ রাখার পর নতুন সেফট্রিয়াক্সন ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে।

এতে করে নতুন কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি বলে আজ রোববার দুপুরে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এসএম সিরাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, গত কয়েকমাস পূর্বে হাসপাতাল থেকে ‍চুরি হওয়া বেশ কিছু ওষুধ থানা পুলিশ উদ্ধার করে। এরপর তা পুলিশের হেফাজত থেকে নিয়ে আসেন। যারমধ্যে সেফট্রিয়াক্সন(২ গ্রাম) ইনজেকশন ৩ হাজার ৫ পিস রয়েছে।

তিনি বলেন, নিয়মানুযায়ী ওয়ার্ডগুলোতে পর্যা য়ক্রমে বিতরণ করা হচ্ছিলো, যার মধ্য থেকে শিশু ওয়ার্ড থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযোগ অনুযায়ী সেফট্রিয়াক্সন ইনজেকশন শিশুদের শরীরে পুশ করার পরে একটু সমস্যা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেখানে ওই ইনজেকশনের ব্যবহার আজ বন্ধ রাখা হয়।

তিনি বলেন, ওষুধের কারনে রোগীর সমস্যা হোক এটা কাম্য নয়। তাই সাপ্লাই বন্ধ রাখা ওষুধগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আসার পর ওই ওষুধগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

পাশাপাশি আগামী বুধবার দুপুরে হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিয়ে ওষুধগুলোর বিষয়ে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেও চিকিৎসকরা ওষুধের গুনগত মান যাচাই-বাছাই করে দেখবেন।

এ বিষয়ে স্টোর অফিসার ডাঃ মাহামুদ হাসান বলেন, তিনি শিশু বিভাগে গিয়ে ৪ রোগী অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়েছেনে। তবে সে সব শিশু ইনজেকশন দেয়ার বেশ কিছু সময় পরে অসুস্থ হয়েছে। তারপরও ইনজেকশন ব্যবহার বন্ধ রাখেন তারা। এরপর আজ থেকে নতুন ইনজেকশন সাপ্লাই দেন। আর উদ্ধার হওয়া ওষুধ সাপ্লাই বন্ধ করেন।

এদিকে শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ অসীম কুমার সাহা জানান, বিষয়টি প্রাথমিক ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। দু’ ১টি শিশু ছাড়া কেউ অসুস্থ হয়নি। তবে যাই হোক এখন পর্যান্ত এ ওষুধে কাউকে বড়ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়নি, পাশাপাশি সবাই ভালো রয়েছে বলে জানান তিনি।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *