শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন এনেছে : আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (এম,পি)

:: ৭১বিডি২৪ডটকম :: স্টাফ রিপোর্টার ::


শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন এনেছে : আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (এম,পি)


:: গলাচিপা (পটুয়াখালী) :: দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর খুলে দেয়া হলো গলাচিপা উপজেলা ও দশমিনা উপজেলার মিলনবন্ধনের একমাত্র ‘গলাচিপা-রণগোপালদী’ সেঁতুটি। শনিবার বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন উদ্বোধন করেন। রতনদিতালতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা খানের সভাপত্তি সেতু উদ্বোধনকালে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মতিউর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (বরিশাল বিভাগ) মো. ফারুক আহম্মেদ, আলীপুরা বাজার সংলগ্ন সুতাবাড়িয়া নদীতে ব্রিজ প্রকল্প পরিচালক মো. আল্লাহ হাফিজ, বরিশাল অঞ্চলের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী বরিশাল মো. মিজানুর রহমান, তত্ত¡াবধায়ক পকৌশলী পটুয়াখালী অঞ্চল মো. নুর হোসেন হাওলাদার, গলাচিপা

উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান লিকন, গলাচিপা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম, দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুভ্রা দাস, গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সন্তোষ কুমার দে, দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুল আজিজ, গলাচিপা উপজেলা আয়ামলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা টিাটো, যুগ্সাধারণ সম্পাদক সর্দার মু. মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. রুহুল আমিন ভ‚ইয়া, জেলা পরিষদের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো.মজিবর রহমান প্রমুখ।

এদিক সেঁতুটি চালু হওয়ার পর দুই উপজেলা মানুষের মধ্যে বইছিল আনন্দের মেলা। একে অপরের সাথে কোলকুলি, মিষ্টি বিতরণ, ছিল উচ্ছাসভরা আবেগ। প্রায় অর্ধশতাব্দি যাবত দুই উপজেলার মানুষের প্রাণের দাবি ছিল এ সেঁতুটি নির্মাণের একসময়ে দশমিনা ছিল গলাচিপা উপজেলার একটি অংশ। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গলাচিপা থানার দশমিনা, রনগোপালদি, আলীপুরা, বেতাগী সাকনিপুরা, চরবোরহান ও বাউফল উপজেলার বহরমপুর, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন নিয়ে দশমিন উপজেলা গঠন করা হয়। জাতীয় সংসদের ১১৫ আসন পটুয়াখালী -৩ গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা নিয়ে গঠিত। এমনিতেই আত্মীয়তা ছাড়াও নানাভাবে এ দুই উপজেলার মানুষের মধ্যে রয়েছে হৃদয়ের গভীর ভালবাসা। কিন্তু এ ভালবাসার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় রণগোপালদী নদী। এ নদীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর দরপত্র আহবান করে এলজিইডি’র উপ সহকারি প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন জানান, ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে বরিশালের ঠিকাদার মারুফ খানকে ঠিকাদার মনোনীত করে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। কাজের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয় ২০১৫ সালের ২১ জুলাই পর্যন্ত। রেট কোট অনুযায়ী এতে ব্যয় বরাদ্দ করা হয় ২৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা। খরচ হয় ২৪ কোটি টাকা। ২৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যরে এবং ৭.৩ মিটার প্রস্থের এ সেঁতুতে ৩৫ মিটারের ৭টি স্যাপ, ১২টি পিলার, ২টি এ্যবাটমেন্ট ও ৪০০ মিটার এপ্রোচ সড়ক ও সেতুর দুই পাশে মানুষের হেটে চলাচলের জন্য ওয়াক ওয়ে নির্মাণ করার আদেশ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এপ্রোচ সড়কের জমি অীধগ্রহণসহ নানা জটিলতায় ঠিকাদার নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি। আরও অতিরিক্ত দেড় বছর সময়ক্ষেপন করে ২০১৮ মাঝামাঝি সেতুর কাজ শেষ হয়।

প্রধান অতিথির বক্তৃতার আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের জন্যসামাজিক ও খাদ্য বেষ্টনি নিরাপত্তা বেষ্টনি তৈরি করেছেন। একই সাথে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার নেটওয়ার্কের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। যার সুফল আমরা সকলে ভোগ করছি।’

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *