মির্জাগঞ্জে পায়রা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে দিশেহারা উপকূলবাসী

৭১বিডি২৪ডটকম | মোঃ সোহাগ হোসেন,


মির্জাগঞ্জে পায়রা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে দিশেহারা উপকূলবাসী


মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী মির্জাগঞ্জে পায়রা নদীর অব্যাহত ভয়াবহ ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীর উপকূলবর্তী বসবাসরত মানুষেরা। ইতোমধ্যে মির্জাগঞ্জের গোলখালী লঞ্চঘাট, মেন্দিয়াবাদ, পিপড়াখালী, সুন্দ্রাকালিকাপুর, কলাগাছিয়া, ভিকাখালী, রামপুরসহ বিভিন্ন ওয়াবদা বেড়িবাঁদ ভেঙ্গে পায়রা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আমাবস্যার জোয়ারের সময় ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম পানিতে প্লাবিত হওয়ার আশংকায় উদ্বিগ্ন পায়রা পাড়ের বাসিন্দারা।

জানা যায়, ২০০৭ সালের সিডর পরবর্তী পায়রা নদীর ভাঙ্গনের ফলে মির্জাগঞ্জে আংশিক পোল্ডার নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। উপজেলার গোলখালী স্লুইজগেট সংলগ্ন বেড়িবাঁধের মাত্র ২-৩ ফুট আছে। ফলে পূর্নিমা- আমবস্যার জো’এর প্রভাবে ভেঙ্গে পানিতে প্লাবিত হয় একাধিক গ্রাম। বর্ষার মৌসুমে পায়রা নদীর তীরবর্তী মানুষ আতংকে বাস করে। সুন্দ্রা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মিত না হওয়ার কারনে ৪- ৫টি গ্রাম জোয়ারে ভাসছে।

পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে গোলখালী, চরখালী, রানীপুর, হাজিখালী, মেন্দিয়াবাদ, সাতবাড়িয়া, কাকড়াবুনিয়া বাজার, ভয়াং, মনোহরখালী, কলাগাছিয়া, পিপড়াখালী এবং ভিকাখালী বাজার, সুন্দ্রাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ গ্রামের ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমি পায়রা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে পিপড়াখালী, সুন্দ্রাকালিকাপুর সালেহা খাতুন মাদ্রাসা, পূর্ব রামপুর ও কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দ্রা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সালেহা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পিপড়াখালী ইসলামাবাদ দাখিল মাদ্রাসা ও রামপুর সিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসাসহ ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যেকোন সময় নদীতে বিলনি হয়ে যেতে পারে এই সব এলাকার হাট- বাজার, ফসলি জমি, স্কুল- মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মোঃ শাহনেওয়াজ তালুকদার বলেন, পায়রা নদীর পাড়ে বিভিন্ন ভাঙ্গন এলাকার পরিদর্শন কাজ চলছে। রিপোর্ট তৈরি করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *