মির্জাগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ২৪ স্কুল

৭১বিডি২৪.কম | মোঃ সোহাগ হোসেন:


মির্জাগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ২৪ স্কুলমির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ২৪টি ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ এসব স্কুল কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা চালানো হচ্ছে। এতে স্কুলে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে এবং ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম। এ নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানালেও কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানায়, এ উপজেলায় ১৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে ২৪ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ও এর অবকাঠামো। বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে পশ্চিম দক্ষিন আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহিষকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজিতা ৪র্থ খন্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিন পশ্চিম কলাগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর চৈতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তারাবুনিয়া হাবিবিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাবুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিসমতপুর ইসহাকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম কাকড়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিসমতপুর খাটাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈদ্যপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম মাধবখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর মজিদবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাটাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মজিদবাড়ীয়া হোসাইনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর রানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিন ভয়াং তুলাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মধ্য বাসন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন।

এসব ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে এখানে পরিচালিত হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জরাজীর্ণ বিদ্যালয়ের ভবন গুলোর ছাদ, ভিম ও দেয়াল থেকে খসে পড়েছে পলেস্তরা। বেরিয়ে এসছে ছাদ ও ভিমে মরীচিকা ধরা রড। সামান্য বৃষ্টিতেই ভবনের ছাদ থেকে পানি পড়ে শ্রেনিকক্ষে। সম্পৃতি তারাবুনিয়া হাবিবিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদের কংক্রিট খসে পড়ে ও ভিমের রড গুলো বেরিয়ে এসছে।

পশ্চিম দক্ষিন আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মিন্টু জোমাদ্দার বলেন বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব ভবনে পাঠদান করাতে হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় গুলোর তালিকা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে বরাদ্দ আসলেই নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *