মাথা ঠান্ডা করেন, এখনও ৭ দিন বাকী : সরকারকে ড. কামাল

:: ৭১বিডি২৪ডটকম :: অনলাইন ডেস্ক ::


মাথা ঠান্ডা করেন, এখনও ৭ দিন বাকী : সরকারকে ড. কামাল


সরকারকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, মাথা ঠিক করেন, মাথা ঠান্ডা করেন, মাথা সুস্থ করেন। এখনও সাত দিন সময় আছে।

শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানীর পল্টনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল এসব কথা বলেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, ইলেকশনে জিততে হবে। এভাবে ভাঁওতাবাজি করে জিতবেন, এটাকে জেতা বলে না। মানুষের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করা, মানুষের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা সংবিধান লঙ্ঘন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘রাষ্ট্র ও সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণকে ভোটাধিকার থেকে সরিয়ে দেয়া মানে স্বাধীনতার উপর আঘাত করা। আপনারা এসব হামলা-মামলা বন্ধ করুন। এই নির্বাচনের আগে যে চিত্র দেখতে পাচ্ছি না, তা গত ৫০ বছরে কখনও দেখিনি। পুলিশ এবং দলীয় কর্মীদের রাস্তায় নামিয়ে পেশি শক্তির ব্যবহার করে জনগণের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে সরকার। আমি ধরেই নিয়েছিলাম নির্বাচনের আগে কিছু তো হবেই, তবে এই অবস্থা দেখতে হবে তা কখনও ভাবিনি। অবিলম্বে এগুলো বন্ধ করা হোক। এই সংবাদ সম্মেলনের পর থেকেই বন্ধ করা হোক’,- বলেন তিনি।

গণফোরামের সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের যত স্বৈরাচারী সরকার ছিল সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে এই সরকার। আজ থেকে আমি ফলো করবো, সরকার তার এই আচরণ থেকে সরে আসে কি না। দেশের জনগণ যদি দেখে সরকার ভোটবাক্স দখল করে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে, তারা কখনও এই সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের এই শীর্ষ নেতা বলেন, পুলিশের কর্মকাণ্ডে আমি অবাক হয়েছি। সংবিধান লেখার সময় পুলিশের ভূমিকা লেখা হয়েছিল ‘নিরপেক্ষ’। পুলিশ কোনও দলের কিংবা রাষ্ট্রের হবে না। তবে এখনকার পুলিশ কাউকে বিরোধীদলীয় মনে করলেই ধরে ফেলে, অর্থাৎ সংবিধানে যে নিরপেক্ষ শব্দটি লেখা আছে, তার ষোল আনা পরিপন্থী কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ।

এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে আগামী ২৭ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার ঘোষণা দেন ড. কামাল।

তিনি বলেন, ২৭ তারিখের জনসভা ছাড়াও নির্বাচনের আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্যোগে আগামী ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা-৪ থেকে ১৮ আসনের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একই সময়ে জনসভা ও গণমিছিল হবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার অনুমতি পেয়েছেন কি না জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, অনুমতি নেয়ার বিষয় আমার না। আমরা তাদের অবগত করব, এ ছাড়া জনসভা করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। তাদের মন চাইলে তারা বন্ধ করে দিক।

এ বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন , এ ধরনের জনসভায় সাধারণত আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি।

কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও জনসভা কেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আলাল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যদি এমন বলে থাকে তাহলে তারা সঠিক এবং আইন অনুযায়ী কথা বলেননি।’

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *