বিসিএস থেকে ৪৭০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ

৭১বিডি২৪ডটকম॥ ঢাকা;


 প্রধান শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত


৩৪তম বিসিএস থেকে ৪৭০ জনকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নন-ক্যাডার হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ওই বিসিএসে চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা

ক্যাডার পাননি তাদের মধ্য থেকে এদের নিয়োগ দেওয়া হলো।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) এদের ১২তম বেতন স্কেলে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়ন করে আদেশ জারি করেছে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে জানিয়ে আদেশে বলা হয়েছে, অন্যথায় এই নিয়োগ আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা যোগদানপত্র গ্রহণ করে প্রত্যয়নপত্র দেবেন। ওই প্রত্যয়নপত্র নিয়ে প্রার্থী সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে যোগদান করবেন। উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর দেওয়া যোগদানের তারিখই শিক্ষকের চাকরিতে যোগদানের তারিখ হিসেবে গণ্য হবে।

আদেশে আরো বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দিয়ে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। এই সময়ে অযোগ্য বিবেচিত হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের তিন বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন কাউকে বিয়ে করলে বা বিয়ের অঙ্গীকারাবব্ধ হলে এই নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুকে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা যাবে না, করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পাননি তাদের মধ্য থেকে ৮৯৮ জনকে গত বছরের ১০ আগস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

সুপারিশকৃত প্রার্থীদের মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং যথাযথ এজেন্সির মাধ্যমে প্রাক-নিয়োগ জীবন বৃত্তান্ত যাইয়ের পর চূড়ান্ত নিয়োগ দেয় মন্ত্রণালয়। বাকিরা বিভিন্ন চাকরিতে যোগ দিয়েছেন বা আগ্রহ দেখাননি।

৩৪তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ৬ হাজার ৫৮৪ জন উত্তীর্ণ হলেও তাদের মধ্যে থেকে দুই হাজার ১৫৯ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করে কমিশন।

বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে (যারা ক্যাডার পায়নি) দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে ২০১৪ সালের ১৬ জুন নন-ক্যাডার পদের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে সরকার।

চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে যারা ক্যাডার পদ পান নি তাদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দিচ্ছে সরকার। ৩১তম বিসিএস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সাড়ে ১৫ হাজারের মতো প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে, পদ পূরণে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে চলতি দায়িত্বও প্রদান করছে সরকার।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *