বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
দেশের সকল বিভাগের জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক আগ্রহী প্রার্থীগন আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। মোবাইল নম্বরঃ +8801618833566, ইমেইলঃ 71bd24@gmail.com

বরগুনা পৌর নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এ্যাড. কামরুল আহসান মাহারাজ

তরিকুল ইসলাম রতন, স্টাফ রিপোটার / ৪৯৮ শেয়ার
আপডেটের সময়ঃ মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০
বরগুনা পৌর নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এ্যাড. কামরুল আহসান মাহারাজ

বরগুনা পৌরসভার” মেয়র “নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন জননেতা এ্যাড.কামরুল আহসান মহারাজ। তাই তাকে আগামী পৌরসভা নির্বাচনে “মেয়র” হিসেবে দেখতে চান এই পৌরসভার সাধারন জনগন। পৌরবাসী দাবী করেন আওয়ামীলীগ থেকে তিনিই একমাত্র মনোনয়ন প্রত্যাশী। এমন গুঞ্জনই এখন বরগুনা পৌরসভার সাধারণ জণ -গনের মুখে মুখে।

এ বিষয়ে বরগুনা পৌরবাসভার অনেকের সাথে আলোচনা করে জানা যায়, আগামী পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ও মেয়র হিসেবে জননেতা অ্যাড. কামরুল আহসান মহারাজ এর কোন বিকল্প নেই। তাছাড়া যত প্রার্থী রয়েছেন তাদের মধ্যে এ্যাড. কামরুল আহসান মহারাজ এর গুন,আদর্শ ও সততায় তিনি রয়েছেন সকল প্রার্থীর শীর্ষে।

বর্তমানে তিনি বরগুনা জেলার অনেক গুরুপ্তপূর্ন পদে গুরু দায়িত্ব পালন করেছেন – এর মধ্যে ১/. বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন- সাধারন সম্পাদক, ২/.বরগুনা জেলা যু্বলীগের সভাপতি, ৩/. পি.পি – দুর্নিতী দমন কমিশন (দুদক) জজ কোর্ড, বরগুনা, ৪/.সাবেক সাধারন সম্পাদক- বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতি, ৫/. বরগুনা নোটারী পাবলিক, ৬/.সভাপতি -বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদ বরগুনা জেলা শাখ, ৭/. সভাপতি -বাংলার মুখ বরগুনা জেলা শাখা, ৮/. সভাপতি -বরগুনা কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়- ম্যানেজিং কমিটি, ৯/. আজীবন সদস্য -বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি -বরগুনা ইউনিট, ১০/. আজীবন সদস্য- জেলা শিল্পকলা একাডেমী বরগুনা, ১১/.আজীবন সদস্য- রাইফেল ক্লাব- বরগুনা, ও ১২/. উপদেষ্টা – খেলাঘর -বরগুনা জেলা শাখার দায়িত্বে তিনি রয়েছেন।

আরও পড়ুন- শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা, বাদীকে খুনের হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন

স্থানীয় নেতাদের মতে, এ্যাড. কামরুল আহসান মাহারাজ তিনি জেলার যেসব দায়িত্বে পেয়েছেন তা তিনি তার যোগ্যতা অনুযায়ী পেয়েছেন এবং তিনি তা অত্যান্ত সুনামের সহিত পালন করেছেন। তাছাড়া তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ডিসি অফিসের সাবেক নাজির মরহুম এবিএম জাহাঙ্গীর হোসেনের সুযোগ্য ও জৈষ্ঠ পুত্র। যার কখনও অর্থ ও সম্পওির প্রতি ছিলো না কোন লোভ- লালসা। যিনি ছাত্র রাজনিতী থেকে শুরু করে বর্তমানে জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক- হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা এই যোগ্য ও আদর্শবান নেতাকে আগামী পৌরসভা নির্বাচনে “মেয়র” হিসেবে দেখতে চাই এবং দল তাকে মনোনয়ন দিবেন এটাই আমরা প্রত্যাশা করছি। আমাদের মতে, এসব যোগ্য প্রার্থীকে সব সময় মূল্যায়ন করা উচিৎ।

বরগুনা পৌরসভার এক প্রবীন রাজনীতিবিদ বলেন, আমি জানি তিনি ছাত্র রাজনিতী থেকে শুরু করে গত – দুই যুগেরও বেশী সময় বরগুনা জেলা যু্বলীগের সভাপতি হিসেবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন- সাধারন সম্পাদক- হিসেবে সম্মানের সহিত দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা চাই এসব যোগ্য নেতাকে মূল্যায়ন করা হবে এবং আগামী পৌর নির্বাচনে তাকে “মেয়র” পদে মনোনীত করবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।

জননেতা এ্যাড.কামরুল আহসান মাহারাজ এর ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামী লীগ-যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নতুন প্রজন্মের নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, (কোভিড-১৯) করোনা মহামারিতে বরগুনা পৌরসভার খেটে খাওয়া অসহায় ও কর্মহীন মানুষদের মাঝে তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে চাল, ডাল, আলু ইত্যাদি খাবার পন্য নিয়ে গরিব, মধ্যবিত্ত সহ অনেকের দরজায় হাজির হয়েছেন। যিনি সবসময় বরগুনা পৌরবাসী সকলের সুখে দুঃখের পাশে থেকেছেন এবং অসহায় ও দুস্থ্য পরিবারের মামলা তিনি বিনা খরচে চালাতেন। বরগুনা পৌরবাসীর অত্যান্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হিসেবে অ্যাড. কামরুল আহসান মহারাজ কে আমরা বরগুনার পৌর “মেয়র” হিসেবে আমরা দেখতে চাই। বরগুনা পৌরসভার উঠতি ভোটারদের মতে এ্যাড. কামরুল আহসাস মহারাজ বরগুনার রাজনীতিকে যেভাবে সুসংগঠিত করে সাজিয়েছেন এবং নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন সেখানে বরগুনা পৌরসভার মেয়র হিসেবে এর বিকল্প কোন প্রার্থী নাই। বরগুনার জননেতা অ্যাড, কামরুল আহসান মাহারাজ এর কাছে তার তার জনপ্রিয়তা সম্পর্কে জানতে চাইলে

তিনি বলেন, আমি সাধারণ জনতার রাজনীতি করি তাই জনগণ-ই আমার শক্তি এবং সকল সময় আমি বরগুনা পৌরবাসীর সুখে দুঃখে পাশে ছিলাম এবং আছি। এজন্যেই পৌরবাসী আমাকে ভালোবাসে। তাছাড়া আমি কোনদিন আমার দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করিনি। গত ২০১৫ ইং সালে বরগুনা পৌর নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন পেয়েও গুলিবিদ্ধ হয়েছি কিন্তু আমার দলীয় নেতারা এই নির্বাচন বন্ধ না করে বিদ্রোহী প্রার্থীকে জয়যুক্ত করতে সহযোগিতা করেছিলেন। এতে বিন্দুপরিমান কারোর প্রতি আমার কোন ক্ষোভ এবং শত্রুতা নেই। শুধুই ভাবতাম, কি দোষ ছিলো আমার এবং কি দোষ ছিলো নৌকার মাঝির।

তিনি আরও জানান, আমর জীবন -যৌবন এই আওয়ামীলীগের পিছনেই ব্যায় করেছি এবং এই দলের জন্যে সর্বোচ্চ দিয়েছি। তাছাড়া যতোদিন বেঁচে আছি এই দলের হয়েই থাকবো। তাছাড়া বরগুনার প্রত্যেকটি জাতীয় নির্বাচনে সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে নৌকাকে বিজয়ী করেছি। ছাত্র রাজনীতি থেকে দুই যুগেরও অধিক সময় যু্বলীগে এবং বর্তমানে আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব দিচ্ছি। একদম তৃণমূল থেকে কিভাবে দলকে সু-সংগঠিত রাখতে হয় সেটাই রেখেছি এবং কিভাবে তৃণমূলের একজন নেতা-কর্মীর মন জয় করা যায় এসব গুণাবলী আমার মধ্যে বিদ্ধমান ছিলো। বরগুনা পৌরবাসীর সুখে দুঃখে সব সময় কাছে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। তাছাড়া দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন এবং দলীয় মনোনীত করেন তাহলে আমি আশা করি বিপুল ভোটে “মেয়র” নির্বাচিত হবো এবং বরগুনা পৌরবাসীর সাধারণ জনগন সকলেই আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এবং তাদের ন্যায্য অধিকার আমি প্রতিষ্ঠা করবো এবং সব সময় পৌরবাসীর পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ