February 21, 2024, 2:33 pm

বরগুনায় শিক্ষককে মেরে ফেলার হুমকি দিলেন রেন্টেকার

তরিকুল ইসলাম রতন, স্টাফ রিপোর্টার ;

বরগুনা সদর উপজেলার ৯ নং এম বালিয়াতলি ইউনিয়নের মোশাররফ হোসেন (৬০) নামের এক শিক্ষককে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেরে ফেলাসহ বিভিন্ন হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার সোহাগ (৩০) নামের এক মোটরসাইকেল রেন্টেকারের বিরুদ্ধে ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সোহাগ নামের এই মোটর সাইকেল রেন্টেকার তিনি শিক্ষক মোশাররফ হোসেনের সৎ ভাই। তার কাজই হচ্ছে মানুষকে ফিটিং দিয়ে অর্থ আদায় করা এবং মানুষকে হয়রানি করা। শিক্ষক মোশাররফ হোসেন একজন নিতীবান ও আদর্শ মানুষ। কিছুদিন আগে সোহাগ এই শিক্ষক মোশাররফ হোসেনকে মারধর করেছিলো। বর্তমানে তিনি অসুস্থ রয়েছেন।

এবিষয়ে শিক্ষক মোশাররফ হোসেনের মেয়ে জামাই, মোঃ হাসিব মিয়া জানান, আমার শশুরের রেকর্ডীয় জমিতে জোর পূর্বক দখল সন্ত্রাসী করছে রেন্টেকার সোহাগ। বর্তমানে তার ভয়তে আমার শশুর বাড়ির সবাই আতংকে রয়েছে। কিছুদিন আগে সোহাগ মোবাইলের মাধ্যমে আমার শশুরকে বিভিন্ন ভয়ভিতীসহ মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। পরে বাধ্য হয়ে আমার শশুর মোশাররফ হোসেন তার বিরুদ্ধে বরগুনা সদর থানায় একটি সাধারন ডায়েরি (জিডি) করেছেন। আমার শশুর খুবই অসুস্থ। বর্তমানে সে হার্ডের রুগী। তাই আপনাদের মাধ্যমে এই সন্ত্রাসী সোহাগের বিচার চাই।

আরও পড়ুন – বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচন! আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন দৌঁড়ঝাপে (৫)

ভুক্তভোগী শিক্ষক মোশাররফ হোসেন জানান, সোহাগ আমার সৎ ভাই। আমার রেকর্ডভুক্ত জমিতে সোহাগ জোর করে দখল করতে চায়। আমি সেই জমিতে বাদা দিলে আমাকে সে মারধর করে। পরে আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরি। আমি এজন হার্টের রুগী।

তিনি আরও জানান, কিছু দিন আগে সোহাগ মোবাইলের মাধ্যমে আমাকে নানা ভয় ভিতীসহ মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। আমার মোবাইলে তা রেকর্ডও রয়েছে। জীবনের নিরাপওার জন্যে আমি বাধ্য হয়ে বরগুনা সদর থানায় সোগের বিরুদ্ধে একটি সাধারন ডায়েরি (জিডি) করেছি।
আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং আপনাদের মাধ্যমে সোহাগ নামের এই ঝালেমের হাত থেকে বাঁচতে চাই।

অভিযুক্ত মোটর সাইকেল রেন্টেকার সোহাগের কাছে এসব বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোশাররফ হোসেন মাস্টার আমার বড় ভাই।
রাগের মাথায় আমি তাকে এসব বলেছি।
তার সাথে আমাদের জমি জমা নিয়ে ঝামেলা ছিলো। আমার জমি সে বুঝিয়ে দেয় না।
তাই আমি তার সাথে এসব আচারন করেছি।

এবিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ জানান, এব্যাপারে সদর থানায় একটি সাধারন ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা