পিয়াস রায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন

:: ৭১বিডি২৪ডটকম :: ব্যুরো প্রধান ::


পিয়াস রায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন


:: বরিশাল :: নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র ও বরিশালের সন্তান পিয়াস রায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

শ্রদ্ধা আর ধর্মীয় রীতিনীতির মধ্য দিয়ে বরিশাল মহাশ্মশানে শুক্রবার (২৩ মার্চ) বেলা দেড়টার দিকে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

এরআগে সকাল ১০ টার দিকে বরিশাল নগরের নতুবাজার সংলগ্ন মহাশ্মশানে নিহত পিয়াস রায়ের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। ধর্মীয় রীতিনীতির সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে পিয়াসের বাবা সুখেন্দু বিকাশ রায় চিতায় আগুন ধরিয়ে দেন।

পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে, ১২ মার্চ নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনার পর ১৯ মার্চ নিহত ২৩ বাংলাদেশীর মরদেহ দেশে আনা হয়। যারমধ্যে বরিশাল নগরের নতুন বাজার সংলগ্ন গফুর লেনের বাসিন্দা পিয়াস রায়েরও মরদেহ ছিলো।

১৬ মার্চ দুপুরে ইউএস বাংলা এয়ারওয়েজের তত্ত্বাবধায়নে একটি ফ্লাইটে পিয়াসের বাবা সুখেন্দু বিকাশ রায় নেপালের গেলেও ছেলের মৃতদেহ সনাক্ত করতে পারেননি। পরে মৃতদেহ সনাক্তের প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে ১৯ মার্চ বাবা সুখেন্দু বিকাশ রায় দেশে চলে আসেন। পরবর্তীতে ২১ মার্চ পিয়াস রায়সহ তিনটি মরদেহই সনাক্ত হয় এবং ২২ মার্চ বিকেলে নেপাল থেকে দেশে আনা হয় মরদেহগুলো। যারমধ্য থেকে পিয়াস রায়ের মরদেহ বুঝে নেয়ার পর তা লাশবাহি ফ্রিজিং গাড়িতে করে ঢাকা থেকে সরাসরি গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে নেয়া হয়।

বৃহষ্পতিবার (২২ মার্চ) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে সেখানে পিয়াস রায়কে শেষ বিদায় জানায় সহপাঠী, শুভাকাঙ্গী ও শিক্ষকরা।

সেখানে থেকে পিয়াসের মরদেহ বরিশালের বাড়িতে শুক্রবার (২৩ মার্চ) ভোররাত ৩ টায় এসে পৌছায়। পরে সকাল ৮ টায় পিয়াসের মরদেহ নেয়া হয় বরিশাল জিলা স্কুল ক্যাম্পাসে। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন স্কুলের সহপাঠী ও শিক্ষকরা। লাশবাহী গাড়ির সাথে পিয়াসের বাবা সুখেন্দু বিকাশ রায়ও আসেন ছেলের এ বিদ্যালয়টিতে। ছেলে হারানোর শোকে মুহ্যমান পিতা খানিক সময়ের জন্য সহপাঠী ও শিক্ষকদের কাতারে এসে দাড়ান অশ্রুসজল নয়নে। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে বরিশালের মহাস্মশানে নেয়া হয় পিয়াস রায়ের মরদেহ।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *