নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ময়দান, লাখো মুসল্লির ঢল

৭১বিডি২৪ডটকম । অনলাইন ডেস্ক:


নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ময়দান, লাখো মুসল্লির ঢল


কহর দরিয়াখ্যাত টঙ্গীর তুরাগ তীরে আ’ম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুক্রবার (২০ জানুয়ারী) বাদ ফজর শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার ৫২তম আসরের দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব।

ইজতেমাকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে ময়দানের সকল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল এখন টঙ্গীমুখী। পুরো টঙ্গী নগরীর যেদিকে চোখ যায় শুধু টুপি-পাঞ্জাবী পরা মানুষের দেখা মেলে। ইজতেমাকে কেন্দ্র করে মুসল্লিদের স্রোত টঙ্গী অভিমুখে বেড়েই চলছে।

এ স্রোত থাকবে আখেরি মোনাজাতের আগ পর্যন্ত। আগামী রোববার মধ্যাহ্নের পূর্বে কোনো একসময় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে দ্বিতীয় পর্ব তথা এবারের বিশ্ব ইজতেমার। প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বেও বিশ্ব ইজতেমাকে সামনে রেখে টঙ্গীর তুরাগ তীরবর্তী সুবিশাল এলাকার প্রায় ১৬০ একর জমির ওপর তাবলীগ জামাতের সদস্যদের থাকার জন্য বিশাল চটের প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে।

মাঠের উত্তর-পশ্চিম কোণে টিনের চালা ও ইটের গাঁথুনির দেয়াল দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বিদেশি মেহমানদের আবাসন ব্যবস্থা। বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারী) দুপুর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা বিধানে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ময়দানের নিরাপত্তায় নিরলস দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

এ পর্বেও আন্তর্জাতিক নিবাসে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও টেলিফোন সংযোগসহ আধুনিক বিভিন্ন সুবিধা রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছে। ইজতেমা মাঠে আগমনরত মুসল্লিদের সুবিধার্থে খাবার পানি, অজুখানা, গোসলখানাসহ যাবতীয় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে আগেই। দ্বিতীয় দফায় পুরো ইজতেমা ময়দানকে ২৬টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। আগত মুসল্লিরা তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তার খুঁটি নম্বর দেখে দেখে অবস্থান নিচ্ছেন।

প্রথম পর্বে আসা বিশ্বের ৯৫টি দেশের কয়েক হাজার বিদেশি মেহমান দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতেও অংশগ্রহণ করবেন বলে ইজেতমা আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে। দেশি-বিদেশি ইসলামি চিন্তাবিদ ও ওলামায়ে কেরামগণ তাবলীগের ছয় উসুল যথা- ঈমান, নামাজ, এলেম ও জিকির, একরামুল মুসলিমীন, তাসহীহে নিয়ত, দাওয়াত ও তাবলীগ সম্পর্কে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক মূল্যবান বয়ান রাখবেন। মূল বয়ান সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ভাষাভাষিদের মাঝে তরজমা করে শোনানো হবে।

ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা : বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব উপলক্ষে টঙ্গীতে আইনশৃঙ্খলা জোরদার করা হয়েছে। ৫ সেক্টরে ভাগ করে ৫ স্তরের নিরাপত্তার লক্ষ্যে ইজতেমার ময়দানসহ আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি স্তরে ২ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় পুলিশ, র‌্যাব, সাদা পোশাকধারী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যসহ প্রায় ৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ইজতেমা মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিতে র‌্যাব ও গাজীপুর পুলিশের পক্ষ থেকে ময়দান ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ১৮টি প্রবেশপথে ইজতেমার নিজম্ব নিরাপত্তাকর্মীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।

এছাড়াও থাকছে মেটাল ডিটেক্টর, বাইনোকুলার, নাইটভিশন গগল্স, পুলিশ ও র‌্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, নৌটহল, হেলিকপ্টার টহল, ১১টি চেক পোস্ট, ৩টি পয়েন্টে হ্যালিপ্যাড ব্যবস্থা, খিত্তাওয়ারী মোটরসাইকেল টহল। প্রতিটি খিত্তায় ৬ জন করে বিশেষ টুপি পরিহিত ও সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য অবস্থান করছেন। তারা কোনো প্রকার সন্ত্রাসী তৎপরতার ইঙ্গিত পেলে বিশেষ সিগনালের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক অবহিত করবেন।

এছাড়াও তারা ইজতেমা মাঠসহ আশপাশের কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে প্রত্যক্ষ করার জন্য ল্যাপটপ ও কম্পিউটারের স্ক্রিনে সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন। ১৪টি গাড়িসহ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন স্থানে বসানো র‌্যাবের ৯টি ও পুলিশের ৫টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে পর্যবেক্ষক দল সার্বক্ষণিক বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পর্যবেক্ষণ করছেন।

মুসল্লিদের প্রতি পুলিশের আহ্বান : ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের পুলিশের পক্ষ থেকে সতকর্তামূলক আহ্বান জানানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রত্যেক মুসল্লিদের তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান, অপরিচিত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং কোনো পোটলা, ব্যাগ বা সন্দেহজনক বস্তু দেখামাত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা, টাকা বা মূল্যবান সামগ্রীসহ একাকী বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরাফেরা না করা, সবসময় টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী নিজ হেফাজতে রাখা, হকার ও ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ না করে স্থায়ী দোকানের খাবার খাওয়া, টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী চুরি বা খোয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বা র‌্যাবকে জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

খিত্তা ও খুঁটিওয়ারি মুসল্লিদের অবস্থান : দ্বিতীয় পর্বে ইজতেমা ময়দানে আগত মুসল্লিদের খিত্তা ও খুঁটি নম্বর অনুযায়ী অবস্থান নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। তা হলো : ঢাকা- ( খিত্তা নং-১- ৫ ও ৭, খুঁটি নং-৭৪০১, ৬৮০১, ৫৩০৭, ৫১১৬, ৫১২৪, ৪৭২০), মেহেরপুর (৬নং খিত্তা, খুঁটি-৪৫০৭), লালমনিরহাট (৮নং খিত্তা, খুঁটি-৪১২২), রাজবাড়ি (৯নং খিত্তা, খুঁটি-৩৩০৭), দিনাজপুর (১০নং খিত্তা, খুঁটি-৩৩২২), হবিগঞ্জ (১১নং খিত্তা, খুঁটি-২৫০৭), মুন্সিগঞ্জ- (১২ ও ১৩নং খিত্তা, খুঁটি-১৭০৯ ও ২১১৯), কিশোরগঞ্জ- (১৪ ও ১৫নং খিত্তা, খুঁটি-২৩২৭ ও ১১২৭), কক্সবাজার (১৬নং খিত্তা, খুঁটি-৮৩৮), নোয়াখালী- (১৭ ও ১৮নং খিত্তা, খুঁটি-৮৪৪ ও ১৮৪০), বাগেরহাট (১৯নং খিত্তা, খুঁটি-২৪৪০), চাঁদপুর (২০নং খিত্তা, খুঁটি-২৪৫২), পাবনা- (২১ ও ২২ নং খিত্তা, খুঁটি-১৪৫২ ও ৬৫০), নওগাঁ (২৩নং খিত্তা, খুঁটি-৬৬২), কুষ্টিয়া (২৪নং খিত্তা, খুঁটি-২৪৬২), বরগুনা (২৫নং খিত্তা, খুঁটি-৭৭৭) ও বরিশাল (২৬নং খিত্তা, খুঁটি-৭৮৯)। দ্বিতীয় পর্বে আগত মুসল্লিরা তাদের জন্য নির্ধারিত স্ব স্ব খিত্তা ও খুঁটির অভ্যন্তরে অবস্থান করে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ময়দানের উত্তর দিক থেকে ক্রমানুসারে দক্ষিণ দিকে খিত্তা ও খুঁটির নম্বর বসানো হয়েছে।

দেশি-বিদেশি তাশকিল কামরা : ইজতেমা ময়দানের উত্তর-পশ্চিম কোণে দেশি-বিশে ১টি করে তাশকিলের কামরা তৈরি করা হয়েছে। ময়দানের খিত্তাগুলো থেকে বিভিন্ন চিল্লায় নাম লেখানো ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জামাতবন্দী করে অবস্থানভেদে (দেশি-বিদেশি) তাশকিলের কামরায় জায়গা করে দেওয়া হয়। আখেরি মোনাজাত শেষে এসব মুসল্লি জামাতবন্দী হয়ে ঢাকার কাকরাইল মসজিদে গিয়ে রিপোর্ট করে তাবলীগের মুরুব্বিদের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী দ্বীনের দাওয়াতি মেহনতে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়বেন।

এসব জামাতবন্দীদের মধ্যে ৪০ দিন, ৪ মাস, ৬ মাস, ১ বছর ও আজীবন চিল্লাধারী মুসল্লিরা রয়েছেন। তারা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা শহর এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে দাওয়াতি কাজ করবেন।

মাস্তরাত ও তাফাক্কুদ্র কামরা : ময়দানের উত্তর-পশ্চিম কোণে মহিলাদের জন্য মাস্তরাত কামরা তৈরি করা হয়েছে। এখান থেকে মহিলাদের জামাতবদ্ধ করে দেশ-বিদেশে দাওয়াতি কাজে পাঠানো ও সাপ্তাহিক তালিমের তাফাক্কুদ্র এর দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়ে থাকে।

ধুলায় ধূসর ময়দানের চারদিক : বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের চারপাশে নতুন করে বালি ফেলায় এবং টঙ্গী কামারপাড়া রোড, আশুলিয়া রোড, আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া রোডে পানি না ছিটানোয় ধুলায় ধূসর হয়ে যাচ্ছে। আগত মুসল্লিদের রুমালে নাক চেপে ইজতেমা ময়দানে ঢুকতে দেখা গেছে।

ভিক্ষুকের ছড়াছড়ি : বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের চারপাশে অন্ধ, পঙ্গু, ল্যাংড়া, বাক প্রতিবন্ধী, শারীরিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ভিক্ষুকের পাশাপাশি মৌসুমী ভিক্ষুকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এসব ভিক্ষুকরা আগত মুসল্লিদের পা জড়িয়ে ধরে ভিক্ষা চাচ্ছে। এতে মুসল্লিদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে।

ফুটপাতে হরেক রকম দোকানের পসরা : টঙ্গী-কামারপাড়া রোড ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিমপাশে হরেক রকমের দোকানের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানিরা। একদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দোকানিদের ফুটপাত থেকে উঠিয়ে দিচ্ছে। পরক্ষণেই তারা আবার দোকানের পসরা সাজিয়ে বসছে। এতে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের যাতায়াতে বেশ অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পুলিশ প্রশাসনের ব্রিফিং : শহীদ আহসান উল্লাহ্ মাস্টার স্টেডিয়ামে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোলরুমে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ইজতেমার নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশের এক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিয়ে গাজীপুর পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশীদ বলেন, মুসল্লিদের নিরাপত্তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ স্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আকাশ পথে রয়েছে র‌্যাবের দুটি টহল পেট্রোল, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, স্টাইকিং ফোর্স। এছাড়াও নদীপথ, স্থলপথ ও মোটর পেট্রোলসহ পুরো ইজতেমা ময়দান নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা : টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. পারভেজ হোসেন জানান, মুসল্লিদের সুবিধার্থে সরকারিভাবে টঙ্গী হাসপাতাল ছাড়াও মুন্নু গেট, বাটা গেট ও হোন্ডা গেটে তিনটি উপ-স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শতাধিক চিকিৎসক ছাড়াও ১৪টি অ্যাম্বুলেন্স বিশেষ সেবা দেবে।

বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা : ইজতেমা মাঠের উত্তর পার্শ্বে নিউ মন্নু ফাইন কটন মিলস মাঠে টঙ্গী থানা প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ প্রতিবারের ন্যায় এবারও ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৩ জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আসা অসুস্থ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ বিতরণ করবে।

এছাড়াও টঙ্গী ওষুধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি, রোটারী ক্লাব অব টঙ্গী, হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ, ইবনে সিনা, বাংলাদেশ হোমিও প্যাথিক মেডিকেল কলেজ, গাজীপুর সিটি করপোরেশন, র‌্যাব, ইমাম সমিতিসহ অর্ধশতাধিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরিকৃত স্টলে বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করছে।

এ ব্যাপারে ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরুব্বি প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, ময়দানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে নির্দিষ্ট জেলার মুসল্লিরা আসতে শুরু করেছেন। শুক্রবার ফজরের পূর্বেই জামাতবদ্ধ মুসল্লিরা তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নিয়ে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন ইনশাআল্লাহ।…ভোরেরপাতা

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *