ধর্ষণ মামলায় সাফাত ৬, সাদমান ৫ দিনের রিমান্ডে

৭১বিডি২৪ডটকম । অনলাইন ডেস্ক:


ধর্ষণ মামলায় সাফাত ৬, সাদমান ৫ দিনের রিমান্ডে


রাজধানীর বনানীতে  ‘দি রেইন ট্রি’ হোটেলে আটকে রেখে দুই ছাত্রীকে গণ ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সাফাত আহমেদ এর ৬ দিন  ও সাদমান সাকিফের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছে উইমেন সাপোর্ট এনড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ।

শুক্রবার (১২ মে) তাদের ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী অফিসার পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলাম ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গ্রেফতার- সাফাত (২৬) আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে এবং সাদমান (২৪) পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) উপ-কমিশনার (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন শুক্রবার সকালে বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট থেকে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ সকালে তাঁদের রাজধানীর মিন্টো রোডে পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

প্রসঙ্গত, বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ ও আরেক আসামি সাদমান সাকিফকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিলেটে গ্রেফতার করা হয়। সাফাত ও সাদমান সিলেটে আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী এবং তাঁর বান্ধবী ও বন্ধু শাহরিয়ারকে আটক রাখেন। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। বাদী ও তাঁর বান্ধবীকে জোর করে ঘরে নিয়ে যান আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ একাধিকবার এবং বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করেন। আসামি সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তাঁর মাধ্যমেই ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই ছাত্রীর পরিচয় হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ বন্ধুর সঙ্গে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন দুই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী। ওই ঘটনায় গত ৬ মে রাজধানীর বনানী থানায় অভিযুক্ত সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ ও সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তারা। মামলার পর থেকেই পলাতক ছিলেন আসামিরা।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *