দুই লঞ্চের ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ গেল মা ও মেয়ের !

৭১বিডি২৪ডটকম | বরিশাল :

দুই লঞ্চের ভয়াবহ সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন।

গত রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বরিশাল-ঢাকা নৌ-পথের মেঘনা নদীর চাঁদপুর সংলগ্ন মাঝ কাজীর চর এলাকার মাঝ নদীতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে করে দুটি লঞ্চেরই অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিহত দুজনসহ আহত তিনজন এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের এবং বাকি আহত পাঁচজন এমভি ফারহান-৯ লঞ্চের যাত্রী ছিলেন।

কীর্তনখোলা লঞ্চ কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক বেল্লাল হোসেন জানান, রাতে বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে এমভি কীর্তনখোলা-১০ ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। রাত ১টা নাগাদ লঞ্চটি মেঘনা নদীর মাঝ কাজীর চর অতিক্রম করার সময় ঢাকা থেকে ভান্ডারিয়াগামী এমভি ফারহান-৯ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের ডানপাশে মাঝ বরাবর আঘাত হানে। এতে কীর্তনখোলা লঞ্চের মাঝ বরাবর দ্বিতীয় তলার অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। দুর্ঘটনায় কীর্তনখোলা লঞ্চের দ্বিতীয় তলার ডেকে থাকা যাত্রী মা ও মেয়ে নিহত হন। তবে তাদের নাম জানাতে পারেননি তিনি। দুর্ঘটনায় ওই লঞ্চের আরও ৩ যাত্রী আহত হন। পরে লঞ্চটি ফের ঢাকার উদ্দেশে রওনা করে গতকাল সকাল পৌনে ৯টায় গিয়ে সদরঘাটে পৌঁছে। দুর্ঘটনার জন্য এমভি ফারহান-৯ লঞ্চকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে থানায় এবং মেরিন কোর্টে মামলা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চ কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক বেল্লাল হোসেন। ঘাতক ফারহান-৯ লঞ্চের করণিক আল-আমিন দাবি করেছেন, ঘন কুয়াশার কারণে তাদের লঞ্চ দুর্ঘটনাকবলিত হয়।

দুই লঞ্চে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি করেছে বিআইডব্লিউটিএ। সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক (বন্দর) সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে গতকাল সকালে গঠিত ৪ সদস্যের এই কমিটিকে পরবর্তী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বাদল জানান, বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এমভি ফারহান ৯ লঞ্চের মাস্টার আফতাব আলী ও সুকানি আবদুল হামিদকে হুলারহাট নদী বন্দর থেকে আটক করেছে।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *