জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে পটুয়াখালী-৩ তথা গলাচিপা–দশমিনার জনপদ

৭১বিডি২৪ডটকম ॥ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট;


জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে পটুয়াখালী-৩ তথা গলাচিপা–দশমিনার জনপদ


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে প্টুয়াখালী-৩ তথা গলাচিপা – দশমিনার জনপদ।

পটুয়াখালীর গলাচিপা-দশমিনার এই দুটি উপজেলা, একটি পৌরসভা, ১৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-৩ আসন। এ আসনটি যেমন আওয়ামীলীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত তেমনি বিএনপির জন্য এসিড টেস্ট। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এলাকার উন্নয়ন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে এবারের নির্বাচনে আসনটি বিএনপি’র জন্য হয়ে উঠতে পারে সুবর্ণ সুযোগ। বিগত নির্বাচন গুলোতে এ আসনে অধিকাংশ সময় আওয়ামীলীগ বিজয়ী হয়েছে। তাই বিএনপি কে বিজয়ী হতে হলে নিজেদের ভোট ব্যাংক ধরে রাখার পাশাপাশি হানা দিতে হবে আওয়ামী ভোট ব্যাংকে। সেজন্য বিএনপির সঠিক প্রার্থী বাছাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শোনা যায়, এ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশির তালিকায় রয়েছেন বর্তমান এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক কামরান শহীদ মহব্বত প্রিন্স, গলাচিপা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক উপদেষ্টা শিল্পপতি হাজী মুঃ শাহ আলম, দশমিনা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাগ্নে এস এম শাহজাদা, দশমিনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ মিয়া। এর মধ্যে এস এম শাহজাদা ইতিপূর্বে স্থানীয় রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় না থাকলেও মামার কারণে আশাবাদী। শাখাওয়াত হোসেন এবং আব্দুল আজিজ মিয়ার দশমিনা উপজেলায় কিছুটা অবস্থান থাকলেও গলাচিপা উপজেলায় কোন অবস্থান নেই বলে শোনা যায়। অন্য তিনজন দুই উপজেলাতেই নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। পরিশেষে ধারণা করা যায়, আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন এর রাজনৈতিক কৌশলের কাছে প্রতিযোগী প্রার্থীরা হেরে যাবেন জনসাধারণের অভিমত।

অপরদিকে, বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান মামুন, গলাচিপা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শাহজাহান খান, বর্তমান সভাপতি শিল্পপতি গোলাম মোস্তফা, চেয়ারপার্সনের নিরাপত্তা প্রধান কর্ণেল ইসহাক মিয়া। যদিও তিনি নিজে প্রকাশ্যে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামার ঘোষণা দেননি কিংবা মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী গণসংযোগ করতে দেখা যায় নি। বর্তমান সভাপতি গোলাম মস্তফা আশাবাদী হলেও দুই ভাই দুই দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি বেকায়দায় পড়ে যেতে পারেন। শাহজাহান খান মাঠে সক্রিয় থাকলেও তিন তিনটি নির্বাচনে হেরে যাবার কারণে কেন্দ্রে কোনঠাসা অবস্থায় আছেন। সেক্ষেত্রে অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন হাসান মামুন। ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা, তরুণ ভোটারদের পছন্দ, কর্ম সংস্থান এবং ক্লিন ইমেজের কারণে মাঠ পর্যায়ে দলীয় নেতা কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের কাছে গ্রহনযোগ্যতা অনেক বলে জনসাধারণের অভিমত । এ বাস্তবতায় বিএনপি স্বপ্ন দেখতেই পারে।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *