জল-কাদায় দুর্ভোগ শিক্ষার্থীসহ মির্জাগঞ্জ গ্রামবাসীর

:: ৭১বিডি২৪ডটকম :: মোঃ সোহাগ হোসেন ::


জল-কাদায় দুর্ভোগ শিক্ষার্থীসহ মির্জাগঞ্জ গ্রামবাসীর


:: মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) :: জল-কাদায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ গ্রামের শিক্ষার্থীসহ হাজারও গ্রামবাসী। ২ কিলোমিটার রাস্তা পাকা না করায় ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষের চলাচলের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমের প্রায় পুরো সময়জুড়ে রাস্তাটি জল-কাদায় একাকার থাকে বলে এলাকাবাসী জানায়।

তারা আরো জানায়, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হলো পাকা করা হয়নি উপজেলার মনোহর খালী মধ্যমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ্ব দিয়ে বয়ে যাওয়া মির্জাগঞ্জ গ্রামের ২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা। উপজেলার সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যমে রাস্তাটি, ফলে এলাকা উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করণনিয়ে এবং শিক্ষক শিক্ষার্থীরা পড়ছেন নানা বিপাকে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিকট একাধিক বার দাবি তুলেও কোন ফল হয়নি।

স্থানীয় আঃ হামিদ জানায় এলাকাটি কৃষি প্রধান হওয়ায় বাজরজাত করণ করতে কয়েক কিলোমিটার পথ ঘুরে বাজারে যেতে হয়। একটুখানি বৃষ্টি হলেই জল-কাদায় ভরে যায় রাস্তাটি। মনেহয় যেন চাষের জমিতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী শিলা ও সেতু বলে বর্ষাকালে হাটু সমান কাদা পেড়িয়ে জুতা খুলে হাতে নিয়ে কলেজে আসতে হয়। মানোরখালী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ ফরিদ আলম জানায়, রাস্তাটি দিয়ে প্রতিনিয়ত স্থানীয়রা সহ মনোহরখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মির্জাগঞ্জ দরগাহ শরীফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাজনা কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মির্জাগঞ্জ ইয়ারিয়া আদর্শ কিন্ডারগার্টেন, মনোহরখালী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পূর্ব মির্জাগঞ্জ এস,এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভাজনা কদমতলা নুরিয়া আলিম মাদ্রাসা, সুবিদখালী ডিগ্রী কলেজ ও সুবিদখালী মহিলা কলেজের হাজার ও শিক্ষার্থী যাতায়েত করে। রাস্তাটি পাকা না হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসিকে।

উপজেলা চেয়ারম্যান খান মোঃ আবু বকর সিদ্দীকি বলে, জনসাধারণ সহ শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে দুর্ভোগ বিধায় রাস্তাটি অতি জরুরী পাকা করা প্রয়োজন। এ ব্যপারে মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সুলতান হেসেন জানান রাস্তাটি সম্পর্কে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *