চরমোন্তাজে মহিষ চুরি’র অভিযোগে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা !! ধামাচাপার চেষ্টা !

৭১বিডি২৪ডটকম | মুঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল,


অভিযোগ


পটুয়াখালী: প্রতিদিন খবরের কাগজে বিভিন্ন অপরাধের খবর পাওয়া গেলেও,  প্রভাবশালী বা ক্ষমতাবল দেখিয়ে চুরিডাকাতি করলেও তা প্রকাশ হয় না। কিন্তু  কথায় আছে, ধর্মের কল বাতাসে নরে। অপরাধী যতো’ই শক্তিশালি  হক, একদিন তাকে ধরাপরতেই হবে। তার’ আর এক প্রমান মহিষ চুরি ও তার সহযোগীতার অভিযোগে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা চরমোন্তাজ ইউনিয়নে ১৩ টি মহিষ চুরির অভিযোগে পিতা – পুত্র মিলে মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন, একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওশার্ডের চরআন্ডা গ্রামের আবু-তাহের ব্যাপারী’র ছেলে মোঃ ইউসুফ ব্যাপারী।  মামলা সূত্রে ও ইউছুফ ব্যাপারী’র কাছ থেকে জানা যায়,  ইউসুফ ব্যাপারী’র ৯ টি ও তার মোশারেফ সিকদারের ৪ টি মোট ১৩ টি মহিষ ঘাস খাওয়ানোর জন্য চরআন্ড সাখিনস্থ চরে ছেরে দিয়ে আসলে, ঐ দিন বিকালে মহিষ গুলো পার্শ্ববর্তী নদী সাতরিয়ে সোনার চরে চলে যায়, পরের দিন ইউসুফ ছেরে আসা জায়গায় মহিষ গুলো দেখতে না পেয়ে, অনেক খোজা খুজি করতে থাকলে, ৯ জুলাই ২০১৭ইং রোজ রবিবার আনুমানিক রাত সারে ১০ টার সময়, মৃতঃ হানিফ হাওলাদারের ছেলে রিংকু হাওলাদার ( ২৫ ) সহ অন্যান্য চোরের সহযোগীতায়, সুকৌশলে ও অগোচরে ১৩ টি মহিষ একসাথে সোনার চরের নদী পার করে, চরমোন্তাজ স্লুইসগেট বাজারে নিয়ে আসে। পরবর্তী সময়ে স্লুইস বাজার থেকে মহিষ গুলো চরমন্ডল নিয়ে একই জেলার বাউফল উপজেলার কালাইয়া, বরগুনা জেলার আমতলী বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করার জন্য পাঠিয়ে দেয়, আরো জানা যায়, ইউসুফ ব্যাপারী অনেক খোজা খুজির একপর্যায়ে মহিষ বেপারি আল-আমিন মোবাইল ফোনে জানায়, মহিষ চোর রিংকু সহ ৪/৫ জন কিছু মহিষ আমতলী ও কালাইয়া নিয়ে বিক্রি করছে, এ খবর পাওয়ার পর, আমতলী বাজারে না পেয়ে, আবার কালাইয়া বাজারে গিয়ে ২ টি মহিষ দেখতে পেয়ে চরমোন্তাজ ইউপি চেয়ারম্যান হানিফ মিয়াকে জানাই, এবং ১নং আসামী রিংকুকে জিজ্ঞাসা করলে, স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে মহিষ চুরির কথা স্বীকার করলে, বিষয়টি চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের জানানো হলে, পুলিশ রিংকুকে আটক করে জিজ্ঞাসা করলে বেরিয়ে আসে অজানা সব ভয়ংকর সব তথ্য সহ দক্ষিণাঞ্চলের সরকারি বন, খাল  ও মহিষ চোরের সিন্ডিকেট এর মুখোশ ধারীই চোর এর গডফাদার এর নাম। এবিষয়ে আটক কৃত রিংকুর স্বীকার অনুযায়ী ভূমি দূস্য ও চোর এর গ্যাংলিডার বশির খা ও তার ছেলে সহ মোট নয় জনের বিরুদ্ধে ইউসুফ ব্যাপারী বাদী হয়ে  রসঙ্গাবালী থানায়  ৩৭৯/১০৯/ পিসি ধারায় মামলা দায়ের করেন যা নং ০৭/৪৫/। এদিকে মামলার অভিযোগে আসামী বশির খার’র কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার ব্যর্থ চেষ্টা করেন। উল্যেক্ষ্য, বিভিন্ন অনুসন্ধানে ও স্থানীয়দের কাছ থেকে, এর আগেও বশির খার অত্যাচারে কোনঠাসা জেলে পরিবার ও  চরমোন্তাজ ইউনিয়ন বাসি শিরনাম এ অনেক সংবাদ প্রকাশ হলেও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ঢেকে গেছে অদৃশ্য চাদরে। প্রতিকার পায়নি অসহায় জনসাধারণ। দীর্ঘ দিনের অপকর্ম ও অন্যায়ের রাজ্য তৈরী করে বশির খা এখন ধনকুপের মালিক বলে, টাকায় বিক্রি হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ প্রশাসন জনসাধারণের পাশে থেকে সঠিক আইন বাস্তবায়ন হয়ে চুরি হওয়া মহিষ উদ্ধার হবে, এটাই চরমোন্তাজ ইউনিয়ন বাসির দাবি। এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হচ্ছে, আমাদের সাথেই থাকুন।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *