গলাফাঁসি রোগে রাঙ্গাবালীতে একদিনে ২৪টি মহিষের মৃত্যু অর্ধশতাধিক আক্রান্ত

(৭১বিডি২৪),গলাচিপা,পটুয়াখালী:

রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরলক্ষী গ্রামে মহিষের গলাফাঁসি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

এ রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় ১১জন কৃষকের ২৪টি মহিষ মারা গেছে। আরও অর্ধশতাধিক মহিষ গলাফাঁসি রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এসব রোগাক্রান্ত মহিষের জন্য সরকারি প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা বা ভেটেনারি সার্জন না পাওয়ায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ কারনে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এসব রোগাক্রান্ত মহিষের চিকিৎসা দিচ্ছেন স্থানীয় হাতুড়ে ডাক্তাররা। তারা উচ্চ মাত্রার এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করেও সুবিধা পারছেন না। রাঙ্গাবালী উপজেলার দায়িত্বে গলাচিপা উপজেলা প্রাণী সম্পদ দফতরের দেখভালের দায়িত্ব থাকলেও তাদের কাছে এ বিষয়ে কোন তথ্য নেই বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারি জানান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চরলক্ষী গ্রামের নাসির আকনের ৩টি, মোসলেম গাজীর ২টি, হারুন পেয়াদার ২টি, রেľেক মৃধার ১টি, আউয়ুব পেয়াদার ৩টি, হেলালের ২টি, আলম হাওলাদারের ২টি, মোতালেব গাজীর ২টি সহ ২৪টি মহিষ গত একদিনে মারা গেছে। বিভিনś কৃষকের আরও অর্ধশতাধিক মহিষ এ রোগে আক্রান্ত রয়েছে। দিন যত যাচ্ছে ক্রমেই এ রোগ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে।

কৃষক আইয়ুব পেয়াদা জানান, প্রথমে হঠ্যাৎ মহিষের গায়ে প্রচন্ড তাপ (জ¦র) দেখা দেয়। জ¦রের প্রকোপে যবুথবু হয়ে পড়ে মহিষ। কয়েক ঘন্টার মধ্যে গলা ফুলে ওঠে লালা তুমুল বেগে লালা ঝড়তে থাকে। প্রচন্ড কষ্ট হয় শ^াসপ্রশাস নিতে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেলে ১০ থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে মারা যায়।

এ ব্যাপারে গলাচিপা প্রানীসম্পদ দফতরে যোগাযোগ করে দায়িত্বশীল কোন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *