গলাচিপা- রাঙ্গাবালী’র তরমুজ চাষিরা বীজ কিনে প্রতারিত! গজিয়ে উটছে অসংখ্য অবৈদ বীজ বিক্রেতা!

 ৭১বিডি২৪ডটকম । মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল; 


গলাচিপা- রাঙ্গাবালী'র তরমুজ চাষিরা বীজ কিনে প্রতারিত! গজিয়ে উটছে অসংখ্য অবৈদ বীজ বিক্রেতা!


পটুয়াখালী: ৫৫ হাজারের’ও বেশি কৃষি নির্ভর আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। বর্তমান সরকারের সহযোগীতায় দেশের খাদ্য ভান্ডার সমৃদ্ধি করে দেশ- বিদেশও খাদ্য- শষ্য রপ্তানি করে সুনাম সহ অধিক বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করছে যা, রাজস্ব আয় বেড়ে সিমা রেখার দার অনেক গুন। এ সকল কৃতিত্ব দেশের খেটে খাওয়া ঘাম ঝরানো প্রান্তিক কৃষকদের। কিন্তু অসাধুপায়ীদের কারনে সরকারী আইন কানুনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রকার নিম্ন মানের ফলন বীজ বিক্রয়  করে কৃষককে পথে বসিয়ে অবৈধ বীজ বিক্রেতারা আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হলেও, প্রান্তিক কৃষক হয়ে যাচ্ছে দূরভিক্ষের কংকালসার। যার ফলে দক্ষিনাঞ্চলে দিন দিন কৃষি আবাদি কমে আসছে বলে অনুসনন্ধানে জানা যায়।

অনুসনন্ধানে আরো জানা যায়, চরকাজল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওর্ডের ভূইয়া স্লুইসগেট সংলগ্ন মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্স প্রোঃ আব্দুল হালীম, মোঃ সাফু গাজী, মোঃ  জামাল ( কসাই), মোঃ চুন্নু খা, মোঃ আব্বাস বেপারী, মোঃ মনির মাতাব্বর- সহ চরবিশ্বাস ইউনিয়নের বাজার সংলগ্ন ইউপি সদস্য মেসার্স  উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মু. সাঈদুর রহমানের সহযোগীতায় দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট বাজারে গজিয়ে উটছে লাইসেন্স বিহিন অসংখ্য অবৈধ সার, কীটনাশক ও বীজ বীক্রয়ের দোকানঘর। সাঈদুর রহমান মৌখিক অনুমোদন দিয়ে আসছে বছরের পর বছর। সরকারী  বীজ নিতিমালা জানা থাকলেও বাস্তবে তা ভিন্ন চিত্র।

এ বিষয়ে মুঠো ফনে উপ-সহকারী সাঈদুর রহমানের সাথে কথা হলে তার উর্ধতন কর্মকর্তার দোষারোপ করে নিজেকে নির্দোষ প্রমান করেন। কথা হয় কৃষক মু. সহিদুল হাওলাদর, আব্দুল গনি মৃধা, মু. মিরাজ সহ অনেকেই বীজ কিনে প্রতিবছর প্রতারিত হয়ে আজ তারা সর্বশান্ত। যার কারনে তাদের মতো অনেকেই কৃষি কাজ ছেরে সহরের বন্দিশালায় মানবেতর জীবন জাপান করছেন বলে বিভিন্ন প্রান্তিক কৃষকগোষ্ঠীর অভিযোগ। দেশের সরকারী বীজ নিতিমালা আইন থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র।  কৃষক ভূগান্তির বিষয়ে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল এবং অসংক্ষ পেপার পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও, আজও অসাধুপায়ীদের সহযোগীতায় মাঠ পর্যায় অবৈধ বীজ বিক্রেতারা কালো টাকার পাহার করলেও, সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব আয়। এ বিষয়ে গলাচিপা+রাঙ্গাবালী উপজেলার কৃষি অফিসার আব্দুল মন্নান এর মুঠো ফোনে কথা হলে আইনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানালেও, অর্ধ মাস পার হলেও বাস্তবে কোন পদক্ষেপ দেখা মিলেনি। পটুয়াখালীর জেলার সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সাধারন সম্পাদক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি উপ-পরিচালোক মু নজরুল ইসলাম মাতাব্বর, বরাবর আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি, নিবেন বলে দায়সারা প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তর দেন। মাননীয়া কৃষিমন্ত্রী অগ্নি কন্যা মতিয়া চৌধুরীর কাছে দেশের প্রান্তিক কৃষকের কথা ভেবে দূর্নীতি বাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে কৃষকের পাশে দাড়াবেন এটাই জনসাধারণের প্রত্যাশা।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *