গলাচিপায় ফণী’র আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কাগজে ও বাস্তবে ব্যাপক গরমিল


গলাচিপা


গত শুক্র ও শনিবার বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চল দিয়ে বয়ে যাওয়া সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় “ফণী” ব্যাপক হাক-ডাক দিয়ে আসলেও শেষ পর্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জান-মালের তেমন কোন ক্ষয়-ক্ষতি করেনি। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান বলতে গেলে কিছু রবিশষ্য ছাড়া অন্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমান শূণ্যের কোঠায়।

এদিকে উপজেলা প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জেলা প্রশাসনকে দেখিয়েছেন, আংশিক ক্ষতি ২শত ঘরবাড়ি, আহত ৭জন মানুষ, গবাদিপশু ৬৫টি, গাছপালা ১০০০টি, বেড়িবাঁধ ৩ কিঃ মিঃ। অথচ রবি শষ্যের কোন ক্ষতি দেখানো হয়নি। বাস্তবে বা সরেজমিনে গিয়ে এ ধরনের কোন ক্ষতির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জানান, গত শনিবারের ঘূর্ণিঝড় ফণী’র আঘাতে আহত কোন ব্যাক্তি আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেনি।

এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তা (পিআইও) তপন কুমার ঘোষ জানান, আমরা গবাদিপশু হিসেবে ৬৫টি হাস-মুরগি দেখিয়েছি।

আংশিক ক্ষতি হিসাবে ঘরবাড়ির কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার সাথে পরে কথা বলব।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আমার জানামতে ২২টি গরু-মহিষ ভেঁসে গিয়েছে, ২শত ঘরবাড়ি ১ হাজারটি গাছ এগুলি আনুমানিকভাবে দেখিয়েছি। তিনি আরও জানান, তিনটি স্থানে বেড়িবাঁধও ভেঙ্গে গিয়েছে।


৭১বিডি২৪ডটকম | সাজ্জাদ আহমেদ মাসুদ | গলাচিপা (পটুয়াখালী)

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *