বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
দেশের সকল বিভাগের জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক আগ্রহী প্রার্থীগন আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। মোবাইল নম্বরঃ +8801618833566, ইমেইলঃ 71bd24@gmail.com

গলাচিপার সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানির অভাব, হুমকিতে জনস্বাস্থ্য !

মু.জিল্লুর রহমান জুয়েল, গলাচিপা / ৬৩ শেয়ার
আপডেটের সময়ঃ শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১

পানির অপর নাম জীবন। শারীরিক সুস্থ্যতার জন্য ঔষধ খেতে পানির প্রয়োজন হলেও গলাচিপা উপজেলা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালে পানি অভাবে রোগীদের বিড়ম্বনার যেন শেষ নেই। অন্যদিকে গলাচিপা অস্বাভাবিক রোগীর ভীড়ের পাশাপাশি রয়েছে ডায়রিয়া সহ নানান রকমের রোগাক্রান্ত রোগী। শুধু তাই নয় দিন দিন ডায়রিয়ার রোগীর সংখ্যা বাড়ার সাথে দেখা দিয়েছে পানির অভাব। এতে জনস্বাস্থ্য হুমকির দিকে বলে জনসাধারণ মনে করছেন। হাসপাতালে যে কয়জন চিকিৎসক আছেন, তা দিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ  পর্যন্ত ডায়রিয়া, মারামারি ও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত প্রায় ৫ শতাধিক রোগী আসা যাওয়া করেছে। এবং  অন্যেত্রে রেফার করা হয়েছে । অন্যদিকে ৭দিন ধরে হাসপাতালে পানির স্বল্পতা  থাকায় রোগীর স্বজনরা বিভিন্ন জায়াগা থেকে পানি সংগ্রহ করছেন বলে জানিয়েছেন।

চিকনিকান্দী  ইউনিয়নের মাঝগ্রাম মোঃ বাবুল প্যাদার স্ত্রী রেনু বেগম শারীরিক অসুস্থতাজনিত  কারনে ৫ এপ্রিল সোমবার হাসপাতালে  ভর্তি হয়। তিনি জানান, মানুষ বাচাঁর জন্য হাসপাতালে আসে, আর প্রয়োজনে ঔষধ খেতে হয়, কিন্তু এখানেও পানির সমস্যা। প্রয়োজনে টয়লেটে পর্যন্ত যাওয়া যায়না। পানখালি গ্রামের বশির মোল্লা (৪০) জানান মোঙ্গলবার  ডায়রিয়া হলে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরেই দেখি হাসপাতালে পানি নেই। তার লোকজনে হাসপাতালের পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে ব্যবহার করেন।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের জুনিয়র ম্যাকানিক রতন গাজী জানান, পানির লাইনের মটর পুড়ে যাওয়ায় পানি পাচ্ছে না রোগিরা। ফলে রোগিদের ভোগান্তির শিকার হয়েছে। আরো দুইদিন পর পানি পাওয়া যাবে কিনা তা তিনি বলতে পারছেন না।

এ বিষয়ে ৯ এপ্রিল শক্রবার মুঠোফোনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে পানি স্বল্পতার কোন কারণ থাকার কথস নয়। তবে ইদানীং ডায়রিয়া সহ বিভিন্ন রোগীর সংখ্যা বেরে যাওয়ায়, পানি ব্যাবহারে, হয়তো কিছুটা প্রভাব পরতে পারে।

তিনি আরো বলেন, অস্থায়ী ভাবে স্থায়ী পুকুর থেকে মটরের মাধ্যমে টয়লেটের জন্য পানি সরবারহ করা হচ্ছে।  হাসপাতালের পানি উঠানোর একমাত্র মটরটি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এ সমস্যাটি দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি, আশা করছি খুব শিঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ