গলাচিপার বকুলবাড়িয়া খাল পুনঃখননে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

৭১বিডি২৪.কম | সোহাগ রহমান:


 অভিযোগগলাচিপা(পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়ায় খাল পুনঃখননে অনিয়ম ও দুর্ণীতির অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। নীতিমালা অগ্রাহ্য করে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে অর্থ লোপাটের অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। এফসিডিআই ও বন্যা নিয়ন্ত্রন ও সেচ প্রকল্পের এই খনন কাজের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের বেশিরভাগই লোপাট করা হয়েছে। মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিজেদের মধ্যে এসব টাকা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্প এলাকা এবং অন্যান্য জলাশয়ে মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্পের (এফসিডিআই) আওতায় উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের লামনা গুচ্ছ গ্রামের দক্ষিন পার্শ্বে খাস খাল পুনঃখনন বন্যা নিয়ন্ত্রন ও সেচ প্রকল্প এলাকায় এবং অন্যান্য জলাময়ে সমন্বিত মৎস্য ও প্রানিসম্পাদ উন্নয়ন প্রকল্প (৪র্থ পর্যায়) ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের লামনা গুচ্ছ গ্রামের দক্ষিন পার্শ্বে খাস খাল পুনঃখনন প্রকল্পের পিআইসি হলেন নাসির উদ্দিন সবুজ হোসেন। এই প্রকল্পটির মোট আয়তন ০.৬১৪ হেঃ জলায়তন ০.৪৯১ হেঃ মোট মাটির পরিমান ৪৯১০.০০ ঘনমিটার কাজের দর হার ১৪২.৫৭ টাকা ।

অর্থনৈতিভাবে পশ্চাৎপদ এলাকার জনগণের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবিকা নির্বাহ নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের বন্যা নিয়ন্ত্রন ও সেচ প্রকল্পের আওতায় খাস খাল পুনঃখনন প্রকল্পে উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের লামনার গুচ্ছ গ্রামের দক্ষিন পার্শ্বে খাস খাল পুনঃখননের জন্য নাসির উদ্দিন সবুজকে ৭ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

এফসিডিআই ও বন্যা নিয়ন্ত্রন ও সেচ প্রকল্পের খাল খননের জন্য এই ১টি প্রকল্পে মোট ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে শুধু মাত্র কোন রকম খালের দুই পার উচু মাটি ছেটে নামে মাত্র কাজ করে বরাদ্দের প্রায় পুরো অর্থই নয়ছয় করে লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, খাল খননে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতর ব্যাপারে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের মধ্যে ঠেলাঠেলি লক্ষ্য করা গেছে। তারা একে অপরের ওপর এর দায় চাপানোর চেষ্টা করেছেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, ‘জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। এখানে তার কিছু বলার নেই।

প্রকল্পের পিআইসি মোঃ নাসির উদ্দিন সবুজ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এগুলো লিখে কিছুই হবে না ভাই। আমি এর আগে অনেক বরাদ্ধ এনে খেয়ে ফেলেছি। খামাখা লিখে সময় নষ্ট করবেন ভাই। আসেন চা খাই।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *