গলাচিপায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঝুকিপূর্ন ভেড়ী বাধ কেটে ভূমি দস্যু কতৃক তরমুজ চাষ

:: ৭১বিডি২৪ডটকম :: জসিম উদ্দিন ::


গলাচিপায় পানিউন্নন বোর্ডের ঝুকিপূর্ন ভেড়ী বাধ কেটে ভূমি দস্যু কতৃক তরমুজ চাষ


:: গলাচিপা(পটুয়াখালী) :: পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নদী ভাঙ্গনের কারনে ঝুকিপূর্ন ভেড়ী বাঁধ কেটে স্হানীয় প্রভাবশালী ভূমি দস্যু কতৃক তরমুজ চাষ করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড চরশিবা ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বড় চরকাজল এলাকায় ভেড়ী বাধের বাহিরের অংশ কেটে যেখানে বাঁধ রক্ষায় মাটি ধসে না পরার জন্য বন ও বিভিন্ন প্রজাতির লাগানো গাছ কর্তন করে তরমুজ চাষ করেছে। বাঁধের উপরের বনগুলো শুকনো ও গাছগুলোর চিহ্ন পর্যন্ত নেই।এমনিতে নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা হিসেবে ঝুকিতে থাকা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ। কোন রকম প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘূর্নিঝড় এর কারনে জলোচ্ছাস হলে যে কোন মূহুর্তে ধসে পরে এলাকার হাজার হাজার জন সাধারনের বিভিন্ন রকম ফসল, ঘর বাড়ী, গৃহপালিত পশু ও গাছপালার সহ এমনকি প্রানহানিকর ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর একমাত্র কারন হল চরশিবা গ্রামের সৈয়দ মোল্লার ছেলে আলমাছ মোল্লা (৩০)। তার আত্মীয় স্বজন ঐ স্হানের প্রভাবশালী বলে নিজেকে জাহির করে থাকেন। সেই প্রভাব খাটিয়ে এ রকম অনৈতিক কাজ করছেন। তিনিই হচ্ছেন এসব অনৈতিক কাজের নাটের গুরু। তাকে অনুসরন করে ছোট ছোট আকারে অনেকেই ভেড়ী বাঁধের উপর তরমুজ চাষ করার সাহস পেয়েছেন। আলমাস মোল্লার চাষকৃত জায়গা প্রায় ৫ থেকে ৬ একর জমি যা সম্পূর্ন ভেড়ী বাঁধের উপর যা পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক নির্মিত।

ঘটনার নায়ক আলমাস মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি নাকি কোন অন্যায় কাজ করেন নি। তিনি যা করেছেন তা ঠিকই করেছেন। বিভিন্ন প্রশ্নের পরে অবশ্য বলেছেন, একটু অন্যায় হলেও হতে পারে। তিনি আরও বলেন, দেখুন নদী ভেঙ্গে এমনিতেই ভেড়ী বাঁধ প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ভেড়ী বাঁধ এমনিতেই ভাঙ্গনের কবলে রয়েছে। আসলে এ রকম ভেড়ী বাঁধ খনন করে চাষ করার কোন আইনগত ভিত্তি নেই।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে চরকাজল ইউপি চেয়ারম্যান মো. রুবেল মোল্লার সাথে কথা বলতে চাইলে মুঠোফোনে বার বার ফোন দেওয়ার পরেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালী জেলা কর্মকর্তা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান জানান, ইতোপূর্বে উক্ত বিষয়টি আমরা জেনেছি এর সাথে সম্পৃক্ত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি গ্রহন করেছি। খুব শীঘ্রই দায়ী ব্যাক্তিদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *