কোন কাজ’ই ছোট না ! প্রমান করলেন নার্স সুপারভাইজার রেবেকা !!

৭১বিডি২৪ডটকম  । মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল;


কোন কাজ'ই ছোট না ! প্রমান করলেন নার্স সুপারভাইজার রেবেকা !!


গলাচিপা(পটুয়াখালী): কর্ম মানুষের জীবনে কল্যাণ বয়ে আনে। আর কুকর্ম অশান্তিপূর্ণ জীবন বয়ে আনে, এটাই পৃথীবির সৃষ্টিকরণ থেকেই চলে আসছে, এবং আগামীতেও থাকবে। তার’ই আর এক বাস্তব প্রমান পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা সরকারী হাসপাতালের সিনিয়র নার্স সুপার ভাইজার ছোট বড় সবার অতি চেনা – জানা রেবেকা আপা। যিনি কর্মজীবন থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি শিশু থেকে বৃদ্ধা রোগী পর্যন্ত নার্স রেবেকা আপার সেবায় প্রশংসায় প্রশংসীত। গলাচিপা সরকারী হাসপাতালটি ৬ একর ভূমির উপর নির্মিত হলেও সিনিয়র নার্স রেবেকা আপার রোগী’র প্রতি ভালোবাসা ও সেবার পরিমান গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী দুই উপজেলার বিভিন্ন দূর-দূরান্তের চরাঅঞ্চলের অগনিত জনসাধারণ মাঝে বিসৃত।

সরজমিন এবং অনুসন্ধানে খবর নিয়ে জানা যায়, নিয়ম, শৃঙ্খলা, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন সহ মা ও শিশু এবং বাল্যবিবাহ এর কারনে অপ্রাপ্ত নারীদের শারীরিক রোগবালাই সহ ইত্যাদি বিষয়ে বুঝানোর মধ্যে দিয়ো প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততা শেষ করেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। রেবেকা আপার বিষয়ে আরো জানা যায়, ২০১০ সালে সরকারী ভাবে থাইল্যান্ড গিয়ে (সিসিটি) critical care training এ প্রথম স্থান অধকার করে দেশের জন্য সুনাম অর্জনসহ ২০০৯ সালে সরকারী ভাবে এইচটি তে অংশগ্রহন করে সৌদী আরোব মক্কায় হজ্ব যাত্রায়, হাজীদের সেবা দেয়ার কারনে বাংলাদেশ প্রথম স্থান অধিকার করে প্রশংসায় স্বাস্থ্য বিভাগের সুনাম বাড়িয়ে নার্স ষ্টাফদের মুখ-উজ্জল করেছন বলে নার্স রেবেকা আপার সহকর্মীদের কাছ থেকে জানা যায়। এখানে শেষ নয়! বর্তমানে আরো উউচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য (এমপিএইচ) মাষ্টার্স অফ হ্যাল্ত এ প্রশিক্ষণে ডিগ্রীলাভ করার জন্য নিয়মমতো কাজের ফাকে লেখা পড়া চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়। সরকারী হাসপাতালে জনবল নিয়ম অনুযায়ী না থাকার কারনে, অনেক সময় নিজের যোগ্যতা ভুলে গিয়ে মহাত্বতা আগ্লে রেখে চতুর্থ শ্রেনীর দায়িত্বও পালোন করেন, যার কারনে বিনা পারিশ্রমিক ছারাই রেবেকা আপার কর্মঘন্টা ৮ ঘন্টারও বেশি, এ ভাবেই চলে আসছে বহু বছর যাবৎ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। এবিষয়ে সিনিয়র নার্স সুপারভাইজার রেবেকা আপার সাথে কথা বলতে চাইলে, তিনি রাজি হননি, অবশেষে প্রতিবেদকের অনুরোধক্রমে তিনি বলেন, আসলে আমি মনে করি কোন কাজ’ই ছোটনা, আমি মনে করি প্রতিটি মানুষহওয়ার সত্যিকারে মানুষ হতে হলে মানুষ মানুষকে সেবা করা, একজন আরএকজনকে ভালোবাসা! এটাইতো মানুষ হয়ে জন্ম নেয়ার স্বার্থসাধন, তাছারা আমি অর্থের জন্য করিনা, কারন, কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর ? মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক-মানুষেতে সুরাসুর। যতোদিন বেচে থাকবো আমি আমার ককর্মস্থান কে সম্মান এবং শ্রোদ্ধা করে যাবো, এর বিনিমেয় কিছু চাইনা বলে ইতিটানলেন।

রেবেকা আপার বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মু. মনিরুল ইসলাম প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমানে হাসপতালে জনবল এবং ডাক্তারের অভাব কথাটি অস্বীকার করাযাবেনা, তেমনি, সিনিয়র নার্স সুপারভাইজার রেবেকা এর কাছ থেকে আমাদের অনেকেই শিক্ষা নেয়া প্রয়োজন, কারন, তিনি যতক্ষণ হাসপাতালে থাকেন আমার হাসপাতালটিও পরিপাটি সুন্দর রাখার চেষ্টা করেন, শুধু তাই নয় রোগী সেবার মান যাতে আরো তিনি উচ্চতর ডিগ্রী এমপিএইচ কোর্স করছেন। আমি তার দীর্ঘায়ু কামন করছি।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *