কলাপাড়ায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে চরম ঝুকি নিয়ে পার হচ্ছে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা!

৭১বিডি২৪.কম | করেসপন্ডেন্ট;


কলাপাড়ায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে চরম ঝুকি নিয়ে পার হচ্ছে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা!


কলাপাড়া(পটুয়াখালী): বাশের সাঁকোই তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর চলাচলের একমাত্র ভরসা। দীর্ঘদিনের দাবীর পরও নির্মিত হয়নি সেতু। ফলে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দার খালের বাঁশের সাঁকো দিয়ে চরম ঝুকি নিয়ে পার হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা। আর এতে করে প্রতিদিনই কমবেশি র্দুঘটনায় পতিত হচ্ছে মানুষ। এজন্য ভ’ক্তোভোগীরা দায়ী করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে।

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা খালে আয়রন ব্রীজ না থাকায় ছৈলাবুনিয়া, ধানখালী, লোন্দা, গিলাতলা ও মধ্য লোন্দাসহ পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এবং দু’টি প্রাইমারি ও একটি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ঝূঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এ র্দুভোগ চরম আকার ধারন করে। হাটু পরিমান কাদামাখা পথ পেরিয়ে আবার হাটু জলে পার হতে হয় সাকো। বেশ কয়েকজন শিক্ষক এবং অবিভাবক জানান, বর্ষার মৌসুমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতির হার ছিল ৩০%। এ ভোগান্তির ফলে প্রতিনিয়ত কমছে স্কুল-মাদ্রাসায় উপস্থিতির হার। যা এ এলাকার শিক্ষা কার্যক্রমকে করছে অনিশ্চিত। অনেক শিক্ষার্থীই ঝরে পড়ে যাচ্ছে স্কুল থেকে।

গিলাতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র শাহাদাৎ জানায়, প্রতিদিন হেঁটে সাঁকো পেরিয়ে ঝূঁকি নিয়ে আসা যাওয়া করতে হয় তাদের। আর এ কষ্টের কারনে প্রায়শ:ই স্কুলে যাওয়া হয়না তার। লোন্দা দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা আক্তার, দশম শ্রেণির রুবিনা আক্তার জানান, খালের উপড় বাঁশের সাঁকোই তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসা যাওয়ার একমাত্র ভরসা। অনেক সময় সাঁকো ভেঙ্গে কিংবা সাঁকো থেকে পানিতে পড়ে গিয়ে যাওয়া হয়নি ক্লাসে।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আঃ মোতালেব তালুকদার সাথে কথা হলে তিনি ‘৭১বিডি২৪.কমকে’ জানান, ওই এলাকার দুরবস্থার কথা আমি শুনেছি। যতদ্রুত সম্ভব ওখানে আয়রন ব্রিজের ব্যবস্থা করা হবে।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *