কলাপাড়ায় বখাটের হামলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ২১ জন আহত


কলাপাড়ায় বখাটের হামলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ২১ জন আহত


পটুয়াখালীর কলাপাড়ার চম্পাপুর ইউনিয়নের পাটুয়া আল-আমিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০ এসএসসি পরীক্ষার্থী ও দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মারধর করা হয়েছে। ২০ জনের মধ্যে ১৪ জন এসএসসির ছাত্রী রয়েছে।

হামলায় আহতদের মধ্যে মামুন হোসেন, রেজাউল গাজী, শাকিল গাজী, জুয়েল হোসেন, শাওন হোসেন ও নিপুসহ সাতজনকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ১৫ ছাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

রবিবার দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে বহিরাগত বখাটে সন্ত্রাসী মেহেদী, মাসুম মাস্টার, তছলিম মৃধাসহ ১০/১২ জনে পরীক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। করে মারধর। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনার চাঁদা তোলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের ক্লার্ক মাসুমের নেতৃত্বে বহিরাগতরা এ হামলা চালায়। এসময় ছাত্র-ছাত্রীদের আর্তচিৎকারে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির উদ্রেক হয়।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি অভিভাবক বজলু প্যাদা জানান, অফিস সহকারী মাসুম বখাটে ও মাদকসেবী। তার মেয়েকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

কলাপাড়া থানার ওসি মো. এনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে একজন কর্মকর্তাসহ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। আহত ছাত্রীরা হচ্ছে সুমাইয়া, রহিমা, রীপা, তানজিলা, জুলিয়া, মুনমুন, সাদিকুননীরা, রিতা, মোনালিসা, লামিয়া, রিয়ামনি, মনিয়ম, শারমিন, বুশরা ও রিয়া। এর মধ্যে রিয়া দশম শ্রেণির ছাত্রী। বাকিরা এবছর এসএসসি পরীক্ষার্থী।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভীর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি। এলাকায় এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিযুক্ত অফিস সহকারী মো. মাসুম জানান, ওরা ক্লাশে বসে আজকে আগে মারামারি করেছে যার ফয়সালা করা হয়। কিন্তু মনের দিক থেকে কেউ মেনে নেয়নি। ফের স্কুলের নিচে গিয়ে মারামারি শুরু করে। তবে যারা এ ঘটনার সঙ্গে অনেকটা জড়িত তারা তাঁর (মাসুমের) বাড়ির ছেলেপান বলে তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিংবা এ ঘটনার জন্য দায়ী নন।


Sogir hossen৭১বিডি২৪ডটকম/মো. ছগির হোসেন/কলাপাড়া প্রতিনিধি

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *