উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি নীতিমালা চ্যালেঞ্জ করে রিট

৭১বিডি২৪ডটকম । অনলাইন ডেস্ক:


উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি নীতিমালা চ্যালেঞ্জ করে রিট


দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে জারি করা ভর্তির নীতিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১১ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। শিক্ষা সচিব, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ চারজনকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে। যদিও জারিকৃত নীতিমালা অনুযায়ী গত ৯ মে থেকে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, আগামী রোববার (১৪ মে) এই রিট আবেদনের উপর শুনানি হতে পারে। আবেদনে ভর্তি নীতিমালা-২০১৭ স্থগিত চাওয়ার পাশাপাশি জারিকৃত নীতিমালা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে। রুল শুনানি শেষ হওয়া পর্যন্ত জারি করা নীতিমালার কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে। এছাড়া ভিকারুন নেসা নূন কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া কলেজ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার এই নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৯৬১ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধ্যাদেশ দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রায় ৪৬ বছর পরও এ নিয়ে আর কোনো আইন হয়নি। ওই অধ্যাদেশের কোথাও নেই যে, শিক্ষা বোর্ড ভর্তি প্রক্রিয়া জিপিএর মাধ্যমে সিরিয়াল করে দেবে। শত বছর পূর্ব থেকেই নিয়ম রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করবে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশে ২, ৩, ১৮ ও ৩৯ ধারায় বোর্ডের কাজ কি হবে তা নির্ধারণ করা আছে। বোর্ডের ভর্তি ও পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয় নির্ধারণ করা। কিন্তু সরকার সার্কুলারে সেই ক্ষমতা বোর্ডকে দেয়নি। ওই অধ্যাদেশের সঙ্গে মিল রেখে ২০০৯ সালে রেগুলেশন করে এবং সেখানে ৪২ ধারায় কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া অধ্যক্ষের হাতে ন্যস্ত আছে। সেই অনুযায়ী সরকারি সার্কুলার এই রেগুলেশনের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

এসব কারণ দেখিয়ে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছে। আবেদনে আরও বলা হয়েছে- এই সার্কুলার জারির ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ভর্তি ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং মেধাবীরা ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গত ৯ মে দুপুর ২টা থেকে ভর্তি আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন।

অনলাইন ও মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করা যাবে ২৬ মে পর্যন্ত। অনলাইনে আবেদনের ঠিকানা www.xiclassadmission.gov.bd।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনলাইনে ১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে সর্বনিম্ন পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রমের ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে। এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রতি কলেজের জন্য ১২০টাকা ফি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *