শিরোনাম :
গলাচিপায় আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গলাচিপার ইউপি নির্বাচনে ৪ নৌকা মার্কার প্রার্থীদের বিজয় গলাচিপায় ভূমি ও গৃহহীনদের জমি এবং গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং আ’লীগ সরকার অর্থনৈতিকত জোনে পৌছাবে দশমিনায় নৌ-প্রতিমন্ত্রী রাজাপুরে ভিক্ষুক আয়নালীকে ব্যাটারি চালিত অটো উপহার রাঙামাটিতে আরো ৬২৩ পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার রাঙামাটিতে বাইক-জীপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-২ নদী ভাঙ্গনের সমস্যা থাকবেনা; গলাচিপায় খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ‘আজ বাদে কাল ভোট’ বাবার বিরুদ্ধে ছেলে, স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী প্রার্থী! নলছিটিতে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা প্রশাসন’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
দেশের সকল বিভাগের জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক আগ্রহী প্রার্থীগন আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। মোবাইল নম্বরঃ +8801618833566, ইমেইলঃ 71bd24@gmail.com

ইয়াস কেড়েনিয়েছে ঘরের পলিথিনের ছাউনিও!

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি / ৫৬ শেয়ার
আপডেটের সময়ঃ বুধবার, ৯ জুন, ২০২১
ইয়াস কেড়েনিয়েছে ঘরের পলিথিনের ছাউনিও!

উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাকরাইল গ্রামের মৃত. মো. শাহজাহান হাওলাদারের পুত্র মো. টিটু হাওলাদারের পৈত্রিক সম্পত্তি থাকতেও অর্থাভাবে বসতঘর তৈরী করতে না পারায় স্ত্রী ও স্কুল পড়ুয়া পুত্রকে নিয়ে যাযাবর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় কোনরকম টিনের বেড়া দিয়ে সুপারি গাছের চেরা ও পলিথিনের ছাউনির ঘরটুকুও ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমানে সেখানে কোন মানুষের পক্ষে বসবাস করা সম্পুর্ণ দুঃসাধ্য ব্যাপার।

আরও পড়ুন- বিষ দিয়ে মাছ শিকারের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে স্মারক লিপি প্রদান

টিটু হাওলাদার বলেন, ৭বছর বয়সের সময় মা মারা যান। তখন আমরা ৩ভাই বোন। ছোট অবস্থায় মা মারা যাওয়ায় মামাদের মাধ্যমে ঝালকাঠিতে বসবাস শুরু করি। ঝালকাঠি শহরতলীর বিকনা এলাকায় (বাসন্ডা ব্রিজের পুর্বঢালে) একটি ঘরে থাকতাম। বোনের বিবাহ হওয়ায় সে শ্বশুর বাড়িতে আছেন। বড় ভাই কয়েক বছর আগে নিহত হয়েছেন। ওই এলাকায়ই টিনের একটি ঘরে ৩শত টাকা ভাড়ায় একটি কক্ষে স্ত্রী ও স্কুল পড়ুয়া পুত্রকে নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে। পুঁজি না থাকায় অটো রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম না হওয়ায় ওই কক্ষেরই একপাশে স্ত্রীকে চায়ের দোকান দিতে হয়েছে। দুজনের কষ্ট ও পরিশ্রমে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে সন্তানের পড়ালেখা চালিয়ে নিজেদের দু’বেলা দু’মুঠো ভাত জোগাড় করাও দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। পৈত্রিক ভিটায়ও বসবাসের উপযোগী ঘর না থাকায় সেখানে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। পলিথিনের ছাউনীটুকুও ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন রোদ, বৃষ্টি, বন্যা হলে কোনভাবেই বসবাস করা সম্ভব হচ্ছে না।

টিটুর স্ত্রী শামিমা সুলতানা বলেন, সাকরাইল গ্রামে আমার শ্বশুর বাড়িতে জমি থাকলেও মানুষ হিসেবে বসবাসে কোন উপায় নেই। রোদ, বৃষ্টি, বন্যা, বাতাস সবই মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। একমাত্র শিশু পুত্রকে নিয়ে এতো কষ্টে জীবনযাপন করতে হচ্ছে তা ভাষায় বুঝাতে পারছি না। যদি সরকারীভাবে একটি ঘর পাওয়া যেতো, তাহলে আমাদের মাথা গোজার ঠাঁই হতো।

আরও পড়ুন- ঝালকাঠিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির সিকদার বলেন, মৃত. শাহজাহান হাওলাদারের জমি থাকলেও সেখানে নেই কোন বসবাস উপযোগী ঘর। অর্থাভাবে তুলতে পারছে না ঘরও। আমরা স্থানীয়দের সহায়তায় সুপারি গাছ ও পলিথিনের ছাউনীতে বসবাসের ব্যবস্থা করছিলাম। ইয়াসে তাও নিয়ে গেছে। অমানবিকভাবে তাদেরকে এখন মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। আমরা পারি সরকারী সহায়তায় খাদ্যোপাদান দিতে, কিন্তু কাউকে তো ঘর করে দিতে পারি না। সরকারী বরাদ্দে জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পের মাধ্যমে যদি একটি ঘর টিটুকে দেয়া হয় তাহলে তার দুঃখ-কষ্ট লাঘব হবে।

আরও পড়ুন- সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ঝালকাঠিতে তিন সাংবাদিককে দেড়লাখ টাকা অনুদান প্রদান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ