বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
দেশের সকল বিভাগের জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক আগ্রহী প্রার্থীগন আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। মোবাইল নম্বরঃ +8801618833566, ইমেইলঃ 71bd24@gmail.com

ইবিতে দুই শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

রিপোর্টার / ৫৪৩ শেয়ার
আপডেটের সময়ঃ শুক্রবার, ১০ আগস্ট, ২০১৮

:: ৭১বিডি২৪ডটকম :: কুষ্টিয়া ::


ইবিতে দুই শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা


কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের দুই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। তাঁরা হলেন রোকনুজ্জামান ও মুমতা হেনা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মুমতাহেনা ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে এবং রাত সাড়ে ৮টার দিকে রোকন ট্রেনের নীচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।

সহপাঠীরা জানান, ছাত্রী হেনার সঙ্গে একই বিভাগের ছাত্র রোকনুজ্জামান রোকনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। নিজেদের সম্পর্কে টানাপোড়নের কারণে হেনা নামের ওই ছাত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। এদিকে প্রেমিকার এমন আত্মহত্যার কথা শুনে রোকনুজ্জামান রোকনও আত্মহত্যা করেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে সদর উপজেলার মতি মিয়ার রেলগেইট নামক স্থানে পোড়াদহ থেকে ছেড়ে আসা গোয়ালন্দগামী শাটল ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন রোকন।

আত্মহত্যাকারী মুমতাহেনা আফরোজ হেনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্ট্যাডিস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফুল আলমের মেয়ে। তার বাসা সাতক্ষীরা জেলায়। রোকনুজ্জামান রোকনের বাসা চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায়। রোকন ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের প্রথমস্থানধারী শিক্ষার্থী ছিল।

পোড়াদহ জিআরপি থানার ওসি আব্দুল আজিজ বলেন, ওই ছাত্রের লাশ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ইবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সেলিম তোহা এক যৌথ শোকবার্তায়, দুই শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

যৌথ শোকবার্তায় তারা বলেন, রোকনুজ্জামান এবং হেনার পরিবারের সাথে আজ আমরাও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা শোকাহত ও ব্যথিত।

তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, জীবনে চলার পথে ঘাত-প্রতিঘাত এবং যে কেন সমস্যা আসতেই পারে। কিন্তু আত্মহত্যা কোন সমস্যার সমাধান হতে পারে না। এ ধরনের অকাল মৃত্যু কারও কাম্য নয়। রোকনুজ্জামান এবং হেনা চলে গেছে না ফেরার দেশে কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া স্মৃতি পিতা-মাতার পাশাপাশি শিক্ষক হিসেবে আজীবন আমাদেরকে বয়ে বেড়াতে হবে। আমরা মরহুম ও মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ