আপনি কি মোবাইল ফোন পাশে নিয়ে ঘুমান? তাহলে জেনে দিন কি হতে পারে?

:: ৭১বিডি২৪ডটকম :: অনলাইন ডেস্ক ::


আপনি কি মোবাইল ফোন পাশে নিয়ে ঘুমান? তাহলে জেনে দিন কি হতে পারে?


অনেকেই ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন পাশে নিয়ে ঘুমান, তাদেরকে উদ্যোশ্যে করে বলছি, ঘুমের সময় বিছানায় মোবাইল ফোন রাখলে আপনি মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে থাকবেন। তাই মাথার কাছে মোবাইল ফোন চালু রেখে কখনও ঘুমোতে যাবেন না। জরুরি ফোন কল আসার যতই সম্ভাবনা থাকুক না কেন দিনে, রাতে যখনই ঘুমোতে যাবেন, মোবাইলটা হয় বিছানা থেকে বেশ কিছুটা দূরে রাখবেন বা সেটা বন্ধ করে রাখবেন।

চালু মোবাইলের ওয়াইফাই বিকিরণ ভয়ঙ্কর ক্ষতি করে প্রাণের।

হালে উত্তর জাটল্যান্ডের নবম শ্রেণির একদল ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন রকমের শাকের বীজ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখেছে, চালু মোবাইলের ওয়াইফাই বিকিরণ প্রাণের পক্ষে চরম ক্ষতিকারক। তা মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে। পরীক্ষার ফলাফলে যথেষ্টই উৎসাহিত ইংল্যান্ড, হল্যান্ড ও সুইডেনের গবেষকরা।

এ ব্যাপারে আরও গবেষণা চালাতে চেয়েছেন স্টকহলমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের বিশিষ্ট গবেষক ওলে জোহানসন। তিনি বেলজিয়ান অধ্যাপক মারি-ক্লেয়ার কামার্তকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষাটা আবার করতে চেয়েছেন।

পরীক্ষাটা যারা চালিয়েছে সেই ছাত্রছাত্রীদের অন্যতম লি নিয়েলসন জানিয়েছেন, ৪০০ রকমের শাকের বীজের ওপর তাঁরা পরীক্ষাটা চালিয়েছেন। দু’টি আলাদা ঘরে একই তাপমাত্রায় ৬টি ট্রেতে ওই শাকের বীজগুলোকে রাখা হয়েছিল। ১২ দিন ধরে ওই দু’টি ঘরে রাখা শাকের বীজগুলোকে সম পরিমাণ জল আর সূর্যালোক দেওয়া হয়েছিল তাদের বেড়ে ওঠার জন্য। তাদের মধ্যে শাকের বীজ রাখা রয়েছে এমন ৬টি ট্রে’কে রাখা হয়েছিল দু’টি ওয়াইফাই রাউটারের কাছাকাছি। সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে যতটা বিকিরণ আসে, ওই ওয়াইফাই রাউটারগুলো থেকে বিকিরণ আসে ততটাই। ১২ দিন পর দেখা গেল, ওয়াইফাই রাউটারের কাছে রাখা শাকের বীজগুলো মোটেই বাড়েনি। তাদের বেশির ভাগই হয় শুকিয়ে গিয়েছে বা মরে গিয়েছে। আর যে শাকের বীজ ভরা ট্রে’গুলোর ধারে কাছে কোনও ওয়াইফাই রাউটার ছিল না, সেগুলো খুব সুন্দরভাবে বেড়ে উঠেছে জল আর সূর্যের আলো পেয়ে।

নবম শ্রেণির যে ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষাটা চালিয়েছে, তাদের আর এক জন ম্যাথিল্ডে নিয়েলসন বলেছেন, ‘এটাই প্রমাণ করেছে, ওয়াইফাই বা মোবাইলের বিকিরণ প্রাণের পক্ষে কতটা বিপজ্জনক। তাই আমাদের পরামর্শ, ঘুমোতে যাওয়ার সময় হয় মোবাইল ফোনটা দূরে রাখুন বা বিছানায় রাখতে হলে সেটাকে বন্ধ করে রাখুন। না হলে তা মস্তিষ্ক বা শরীরের পক্ষে খুব বিপজ্জনক হতে পারে।’

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *