আখেরী মুনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো চরমোনাইয়ের বাৎসরিক মাহফিল

৭১বিডি২৪ডটকম ॥ করেসপন্ডেন্ট;


আখেরী মুনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো চরমোনাইয়ের বাৎসরিক মাহফিল
ছবি-ইন্টারনেট

বরিশাল : মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরী মুনাজাতের মধ্যদিয়ে তিন দিন ব্যাপী চরমোনাইয়ে অগ্রহায়ণের বাৎসরিক মাহফিল শেষ হয়েছে। বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে আমীরুল মুজাহিদীন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী সৈয়দ মোঃ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)-এর পরিচালনায় আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মুনাজাতের পূর্বে শেষ বয়ানে পীর সাহেব বলেন, আমরা সকলে কবর পথের যাত্রী। যার ভিতরে তাকাব্বরী থাকবে সে বেহেশতের ঘ্রানও পাবে না। হিংসা, অহংকার, গীবত, মিথ্যা, সুদ, ঘুষসহ সকল গুণাহের কাজ দূর করতে হবে। হারাম মালের দ্বারা যে রক্ত ও শরীর তৈরী হবে তার স্থান হবে জাহান্নাম। কবর আযাব ও জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত নামাজ আদায় করা ও তরীকার পাঁচ ঔষধ পালনসহ শরীয়তের যাবতীয় হুকুম আহকাম মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, পরিপূণ্য ও সহী শুদ্ধভাবে নামাজের জন্য কেরাত শিক্ষা করা ফরজ। যারা আত্মাকে পবিত্র করবে তারা বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। পীর সাহেব ইমানের উপরে পরিপূর্ণভাবে মজবুত থাকার জন্য নির্দেশ দেন। আল্লাহ পাকের জিকির অধিক করলে কলবের ময়লা দূর হয়। কলব পরিষ্কার হওয়ার একমাত্র পথ জিকির। পীর সাহেব সকল মুসুল্লিদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা চরমোনাই এসেছেন তারা সকল নির্দেশ মেনে চলবেন, অন্যথায় চরমোনাই আসার দরকার নাই। আমরা পীর-মুরিদীর ব্যবসা করি না। আখেরী মোনাজাতে পীর সাহেব বিশ্বের মুসলিম উম্মহর জন্য দোয়া করেন। মোনাজাত শেষে আগত মুসুল্লীরা শত শত বাস, লঞ্চ ও ট্রলার যোগে নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন। এ বছর এলাকায় ২টি মাঠ জুড়ে এবং নদীর বিস্তৃর্ন এলাকা, আশে পাশের বাগান, ঘড়বাড়ির আঙিনাসহ কোন স্থান তিল পরিমান ঠাঁই ছিলনা। মাহফিলে আগত মুসুল্লীদের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়। জানাযা শেষে তাদের কফিন নিজ নিজ ঠিকানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করে মুজাহিদ কমিটি।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *