অবশেষে রাংগাবালী কৃষি অফিসার মাহফুজুর রহমানের দূর্নীতির তদন্ত শুরু, প্রতিবেদন ৩০ জুলাই !!

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী:

কথায় আছে অপরাধ কখনও চাপা থাকেনা, একদিন তা দিনের আলোর মতো প্রকাশ পাবেই !!

অবশেষে র্দীঘ ৬ মাস পর পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি অফিসার মাহফুজুর রহমানের নানা দূর্নীতির বিষয়ে ২ সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করে আগামি ৩০ জুলাই ২০১৬ ইং তারিখের মধ্যে প্রতিবিদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন কৃষি অধিদপ্তর এর উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ।

সরেজমিন ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, কৃষি অফিসার মাহফুজুর রহমান রাঙ্গাবালী উপজেলায় আসার পর থেকেই নানা ঘুষ, লাইসেন্স বানিজ্য, মিথ্যা মামলা করার হুমকি সহ নারী ক্যালেংকারী মতো জঘন্য অপরাধ করে কৃষক ও জনসাধারনের তোপের মধ্যে পরে।

যার ফলে সার ও কীটনাষক বিক্রেতারা প্রতিনিয়তই আতংকের মধ্যে দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতেন বলে, সার ও কীটনাষক বিক্রেতা মোঃ ইকবাল মাহমুদ বলেন। তিনি আরো বলেন, কৃষি অফিসার আমার দোকানে তার ব্যবহারিত ব্যক্তিগত তালা লাগিয়ে আমাকে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে আমার কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকষ আদায় করেন।

অভিযোগ এখানেই শেষ না, কৃষি অফিসার, প্রতি বস্তা সারের জন্য বিভিন্ন কায়দায় সার ডিলারদের কাছ থেকেও নিয়েছে মোটা অংকের উৎকস ও লাইসেন্স নবায়নের জন্য ঘুষ বানিজ্য।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে আরো চানচাল্যকর দূর্নীতির খবর, বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কৃষক ক্লাবের সরকারী অনুদানের সম্পদ আত্বস্বাদের অভিযোগ সহ নানান অভিযোগ।

কৃষি অফিসার মাফুজুর রহমানের এ নকল অনিয়ম ও দূর্নীতি খবর ধারাবাহীক বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশ করলে, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর লরে চরে বসলে, উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামার বাড়ি পটুয়াখালী মোঃ নজরুল ইসলাম মাতুব্বর ও বরগুনা জেলার উপ-পরিচালক মোঃ শাহীনুর রহসান সহ ২ সদস্যে একটি তদন্দ টিম গঠকরে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ।

এ বিষয়ে তদন্ত কারী টিম এর উপ-পরিচালক মোঃ শাহীনুর এর সাথে হলে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে শিকার করেন। দূর্নীতিবাজ কৃষি অফিসারের দৃষ্টান্ত মূলক শান্তি দিয়ে কৃষি অধিদপ্তরের ভাব মূর্তি উজ্জল করবে এটাই স্থানিয় কৃষক ও জনসাধারনের প্রত্যাশা।

Recommended For You

About the Author: HumayrA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *